চট্টগ্রামরবিবার , ৭ এপ্রিল ২০২৪
  1. অগ্নিকাণ্ড
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন বিচার
  6. আতঙ্ক
  7. আত্মহত্যা
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. ঈদুল আযহা উদযাপন
  11. ঈদুল ফিতর উদযাপন
  12. উচ্ছেদ
  13. উন্নয়ন
  14. কক্সবাজার
  15. কৃষি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরাবর সম্পাদক,দৈনিক দেশবার্তা নিউজ

deshbarta news
এপ্রিল ৭, ২০২৪ ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বরাবর সম্পাদক,দৈনিক দেশবার্তা নিউজ

বিষয়: অনলাইন চ্যানেল সহ অন্যান্য স্থানীয় পত্র/পত্রিকায় অভিযোগ/নিউজ পরিবেশন করায় প্রতিবাদ লিপি প্রিয় মহোদয়,

মউক পরিচালিত OOSC কর্মসুচীটি মেহেরপুরে জেলায় ২১০জন শিক্ষক ও ১৫জন সুপারভাইজার কর্মরত আছে। যাদের মধ্যে হতে ২০/২৫জন বিতর্কিত শিক্ষক/শিক্ষিকা, যারা কোন কেন্দ্র না চালিয়ে এবং কেন্দ্রে শিক্ষার্থী না থাকার পরও সরকারী সুবিধা গ্রহণের জন্য তাল-বাহানা করে। উক্ত প্রকল্পের সুপারভাইজার ও উপজেলা কর্মকর্তাগন উক্ত শিক্ষকদের কেন্দ্রের উন্নয়নে চাপ সৃষ্টি করায় ২/১জন মিও/এনজিও কর্মকর্তার সহযোগিতায় ও কুপরামর্শে oosc প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী সহ প্রতিষ্ঠানকে চাপে রাখতে গত ২০/০৩/২০২৪ইং তারিখে বিভিন্ন সরকারি কার্যালয়ে অভিযোগ সহ মেহেরপুরের কিছু অনলাইন চ্যানেল যেমন, মেহেরপুর নিউজ, ফোকাস নিউমসহ বেশ কয়েকটি চ্যানেলে বিতর্কিত ২০/২৫জন শিক্ষকদের ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশন করেন। এ বিষয়ে চ্যানেল গুলি সরকারি সংশ্লিম্ন দপ্তরের বা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কোন বক্তব্য বা মতামত না নিয়ে একতরফা ভাবে ভিত্তিহীন তথ্যগুলি পরিবেশন করেছে, যা যথার্থ হয়নি বলে মনে হয়। এছাড়া যে সকল শিক্ষক/শিক্ষিকা প্রকল্প নিয়ে ও প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে যে মিথ্যা বানোয়াট ও কাল্পনিক তথ্য পরিবেশন করেছেন তার তীব্র প্রতিবাদ সহ নিম্নে অভিযোগ কারীদের অভিযোগের বিষয়ে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হইলঃ

শিক্ষকদের বক্তব্য ও অভিযোগ

সমূহ

ঘটনার সত্যতা বা প্রকৃত ঘটনাবলী

প্রতিমাসে ঘরভাড়া দেওয়ার ১ কথা থাকলেও নিয়মিত তা

দেন না।

প্রকল্পের ঘরভাড়া প্রতিনিয়ত ৪/৬ মাস পরপর সরকারের প্রাথমিক মন্ত্রণালয় হতে DO দেয়, তারপর উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ঢাকা হতে জেলা হিসাব রক্ষক (এজি অফিস) বরাদ্দ পাঠায়, তখনই প্রতিষ্ঠান অর্থ ছাড়করণ সাপেক্ষে, উক্ত ঘরভাড়ার অর্থ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাব শাখায় প্রদান করা হয়। যাহার ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও শিক্ষকের প্রাপ্তি স্বীকার পত্র আছে। এরপরও যে ১৫/২০ জন শিক্ষক বলেছেন ঘরভাড়া পাইনি, তাদের কেন্দ্র বন্ধ অথবা নিজের কোন দালান ঘরে নামমাত্র কেন্দ্র পরিচালনা করেন। তাই হয়ত ঘর ভাড়া পাই না বা কম পায়।

জুলাই/ ২৩ হতে অদ্যবধি ঘরভাড়ার কোন অর্থ পাননি বলে জানান এবং বেতন ডিসেম্বর/২৩ পর্যন্ত প্রদান করলেও ৫/১৫ হাজার টাকা ২

প্রকল্পের ঘরভাড়ার অর্থ জুলাই-২৩ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত সহকারি পরিচালক অনুমোদন না দেওয়ায়, অর্থ ছাড় করানো সম্ভব হয়নি, ফলে উক্ত ঘরভাড়া টাকা এখনো কোন শিক্ষককে প্রদান সম্ভব হয়নি। তাছাড়া জানুয়ারী/২৪ হতে উক্ত প্রকল্পের নতুন নবায়ন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রণালয় বাজেট বরাদ্দ প্রদান করবেন না। বরং প্রকল্প চুক্তি না হয়েও মউক শিক্ষকদের স্বার্থে কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। এছাড়া ডিসেম্বর/২৩পর্যন্ত বেতন বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে সকল শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাব শাখায় জমা প্রদান করা হয়েছে। এবং উক্ত টাকা প্রকল্পের কোন কর্মকর্তাকে ফেরত না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মাসিক মিটিং গুলোতে সতর্ক করা হয়। ফলে আনীত অভিযোগ কেন্দ্র না চালিয়ে সুবিধা গ্রহন করতে চায় শিক্ষকরা তাই নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এই সকল মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চক্রান্তে কতিপয় শিক্ষক মাঠে নেমেছে। উক্ত বিষয়ে মউক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহন করবেন। এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

পর্যন্ত প্রকল্পের কিছু কর্মকর্তা ফেরত

নেবে/নিয়েছে বলে

অভিযোগ তুলেন।

সুপারভাইজার ও উপজেলা ম্যানেজার ভয় ভীতি প্রদর্শন ৩ করা ও শিক্ষকদের কুপ্রস্তাব দেয় মর্মে অভিযোগ

তুলেন।

এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষক প্রকল্পের ২৪ মাস অতি বাহিত হলেও কোন কর্মকর্তা/কর্মচারীর নামে অভিযোগ দায়ের করেনি যে, প্রকল্পের সুপারভাইজার ইউপিএম শিক্ষককে ভয়ভীতি কুপ্রস্তাব প্রদর্শন করেন, কিংবা হুমকি ধামকি প্রদান করেন। কিন্তু হঠাৎ করে অনলাইন চ্যানেলে লাইভে এসে যে তথ্য প্রচার করেছে তা উক্ত শিক্ষকদের অনিয়ম, অপরাধ, অপকর্ম ঢাকতে কতিপয় শিক্ষক, প্রকল্পের সুপারভাইজার ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করে চাপে রাখতে চান। তার তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

কতিপয় শিক্ষকের দাবি স্যোশাল বেনিফিটের টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়।

কিছু শিক্ষক অনিয়ম ঢাকতে বিগত এক-দেড় বছর আগে বেনিফিট প্রদান/গ্রহন করেছে। তখন কিছুই না জানিয়ে, এখন হঠাৎ বেনিফিটের অর্থ ফেরত নিয়েছে মর্মে অভিযোগ তোলেন, যা সম্পন্ন অযৌক্তিক ও অসত্য। কারণ ১/২ বছর আগে বেনিফিট এর অর্থ শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাব শাখায় প্রদান করা হয়েছিল। তখন কোন অভিযোগ তুলেন নি। এখন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা তার কেন্দ্র ভালো করার জন্য চাপ সৃষ্ঠি করলে, উক্ত শিক্ষকেরা প্রতিষ্ঠানকে চাপে রাখতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন। যাহা প্রতিষ্ঠান হতে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকৃত তথ্য না জেনে বুঝে, লাইভে তথ্য প্রদান করা সম্পর্ন ভিত্তিহীন। কারণ সিএমসি মিটিং ও অভিভাবক সভা করা, বর্তমান প্রকল্পে কোন বাজেট নেই। কমিউনিটি ও শিক্ষকদের কন্ট্রিবিউশনে উক্ত মিটিং করতে হবে। তারপরও উক্ত প্রকল্পের সহকারি পরিচালক এর নির্দেশে ৫০/৬০টি সভা করা হয়, যা করতে ৪০/৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। যা সংগঠনের ব্যাক্তিগত ভাবে বহন করতে হয়। এরপরও শিক্ষকেরা যে বক্তব্য তুলে ধরেছেন, মউক উক্ত বিষয়ে তীব প্রতিবাদ সহ ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশন করায় উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনের নিকট দাবী জানিয়েছেন।

সিএমসি ও অভিভাবক

৫ সভার নামে মিটিং করলেও কোন বরাদ্দ দেয়না মর্মে

অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য

সুপারভাইজার কর্তৃকঅন্যান্য ৬ প্রকল্পে চাকুরীর নামে সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান।

উক্ত বিষয়ে ২/৩ জন শিক্ষক, উক্ত প্রকল্পের ২জন সুপারভাইজার এর নাম উল্লেখ করে চাকুরী দেওয়ার অভিযোগ আনলেও তার কোন সভ্যতা নাই। কারণ এমন কোন প্রকল্প নেই যা মউক বা অন্য কোন সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ফলে এটা সম্পর্ন ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক বক্তব্য।

মন্ত্রী মহোদয়ের নাম।

ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা।

যে ২/৩জন শিক্ষক মন্ত্রীর নাম নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন, তারা জ্যাতী

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।