চট্টগ্রামমঙ্গলবার , ৯ এপ্রিল ২০২৪
  1. অগ্নিকাণ্ড
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন বিচার
  6. আতঙ্ক
  7. আত্মহত্যা
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. ঈদুল আযহা উদযাপন
  11. ঈদুল ফিতর উদযাপন
  12. উন্নয়ন
  13. কক্সবাজার
  14. কৃষি
  15. ক্যাম্পাস
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁয় মশার কামড়ে অতিষ্ট মানুষ,নিধনের কোন উদ্যোগ নেই

deshbarta news
এপ্রিল ৯, ২০২৪ ১:৩১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁয় মশার কামড়ে অতিষ্ট
মানুষ,নিধনের কোন উদ্যোগ নেই

রমজান হোসেন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুরে এখন ঘরে-বাইরে সর্বত্র মশার রাজত্ব। দিন-রাত ২৪ ঘন্টা মশার কামড়ে অতিষ্ট মানুষ। বাসাবাড়ি, অফিস, বাজার, উন্মুক্ত স্থান, সড়ক, খেলার মাঠ, মসজিদ কোথাও বাদ নেই। এমনকি টয়লেটেও মশার যন্ত্রণায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন মানুষ। মশার উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় দারুন ব্যাঘাত ঘটছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরে মশা নিধনে কোনই পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। না উপজেলা প্রশাসন, না ইউনিয়ন পরিষদ, না স্বাস্থ্য প্রশাসন।

স্থানীয়দের অভিযোগ যেখানে সেখানে ময়লার ভাগাড় তৈরি ও উপজেলা সদরের ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় সারাবছর ময়লা পানি বদ্ধ হয়ে থাকায় সেগুলোতে মশার বিস্তার হচ্ছে। এগুলো পরিস্কার করা অথবা বদ্ধ পানি নিষ্কাশনেরও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। একেতো চৈত্রের দাবদাহ, গরমে অতিষ্ঠ মানুষ, বিদ্যুতের লুকোচুরি, তার উপর মশার অত্যাচার, ভোগান্তির শেষ নেই মানুষের।

রোববার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স সংলগ্ন পশ্চিম পাশের প্রধান সড়ক গিয়ে দেখা যায় পাকা সড়কের দুপাশে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমা হয়ে আছে। এসব পানি বের হবার উপায় নেই। পাকা সড়কের উপর জমা হয়ে থাকা নোংড়া পানির উপর ভাঁসছে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা। আর পানির নিচে ঘোরাঘুরি করছে অসংখ্য মশার লার্ভা। উপজেলা সদরের বাজার, বিভিন্ন পাড়া, মহল্লা, মহাদেবপুর-নওগাঁ, মহাদেবপুর-নজিপুর পাকা সড়কের দুপাশ সব জায়গার একই অবস্থা। উপজেলা সদরের গরুহাটিতে ফেলা হচ্ছে বাজারের সব ময়লা আবর্জনা। সদরের আরও কয়েকটি স্থানে অপরিকল্পিতভাবে ফেলা হচ্ছে ময়লা। এসব আবর্জনার স্তুপ এখন মশার ভাগাড়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন যে, দিনরাত এখন মশার অত্যাচারে টেকা দায়। দিনের বেলাতেও কয়েল না জ¦ালিয়ে থাকা যায়না। মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে মশার কামড়ে অতিষ্ট মুসল্লিরা। টয়লেটে গেলেও কয়েল নিয়ে যেতে হয়। বাজারে ধোঁয়া ছাড়া ১৩০ টাকা প্যাকেটের যে কয়েল পাওয়া যায় তা থেকেও ধোঁয়া বের হয়। প্রচুর ধোঁয়াযুক্ত মোটা মশার কয়েলে চোখ জ¦ালা করে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব কয়েল কিভাবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তা দেখার কেউ নেই।

করোনাকালীন সময়ে দুবছর আগে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে একটি ফগার মেশিন কেনা হয়েছিল। সেবছর সেটি দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মশার ওষুধ স্প্রে করা হয়। কিন্তু সেবছরই সেটা বিকল হয়। সেটি আর মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। জানতে চাইলে সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল জানান, ফগার মেশিনের ছোট্ট একটি পার্টস বিকল হয়েছে। কিন্তু সেটা কোথাও পাওয়া যাচ্ছেনা। এবার সেটি মেরামত করা হবে এবং ঈদের পরপরই মশা নিধনের কাজ শুরু করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহাগও একই কথা জানান। তিনি বলেন, এবার মশা নিধনের কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।