রবিবার ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি বিনা টিকিটে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াত, ভুল বুঝতে পেরে কর্তৃপক্ষকে দিলেন ২৫ হাজার টাকা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্নীতির কারণে মানুষ ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাচ্ছে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী দেশ গঠনে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী সকলকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ভাবে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মেগা মাস্টারপ্ল্যান রামপালে বিমানবন্দর নির্মাণে আশার আলো দেখাচ্ছে চীন নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারাই বর্তমান সরকারের সময় বড় প্রাপ্তি: রিজভী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েতে চুক্তিভিত্তিক জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
Advertise with us

৬ মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

৬ মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

দীর্ঘ ছয় মাস পর খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর এসব দানবাক্স খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হলো। যতবারই খোলা হয় ততবারই আগের রেকর্ড ভাঙে। এর ফলে এবার সব রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষা।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৩টি দানবাক্সে মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে গণনা। দানবাক্স খোলা ও গণনা কার্যক্রম সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

সবশেষ গত ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। সে সময় ১৩টি সিন্দুকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এ ছাড়া, বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকারসহ নানা পণ্যসামগ্রী পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত, সব ধর্মের মানুষের কাছে পাগলা মসজিদ এক সার্বজনীন পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র। মানুষজন বিশ্বাস করেন, যদি কেউ একনিষ্ঠ নিয়তে পাগলা মসজিদে কোনো কিছু দান করে, তাহলে তার মনের বাসনা পূরণ হয়। এমন বিশ্বাসের কারণে মানুষজন পাগলা মসজিদে প্রচুর দান-খয়রত করেন। অনেক মানুষ মনের বাসনা, রোগমুক্তি, উচ্চ শিক্ষা, সন্তান লাভসহ বিভিন্ন নিয়তে এই মসজিদে মানত করে থাকেন। শুধু টাকা-পয়সা নয়, অনেকেই স্বর্ণালংকার, হাঁস-মুরগি, গবাদি প্রাণী ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী দান করে থাকেন।

প্রচলিত আছে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্নিক সাধক নরসুন্দা নদীর বুকে মাদুরে ভেসে মসজিদের স্থানে এসে অবস্থান নেন। এরপর ধীরে ধীরে তাকে ঘিরে ভক্ত সমাগম হতে থাকে। আধ্যাত্নিক সাধকের মৃত্যুর পর তার কবরের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। যা বর্তমানে পাগলা মসজিদ নামে সুপরিচিত।

১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ-স্টেট মসজিদটি পরিচালনা করছে। মসজিদটি আড়াইশো বছরের পুরনো। কিশোরগঞ্জ সদরের নরসুন্দা নদীর তীরে তিন একর ৮৮ শতাংশ জায়গার ওপর ঐতিহাসিক এ মসজিদটি অবস্থিত।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়