শনিবার ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
জিডিপির ৫ শতাংশ চিকিৎসা খাতে ব্যয় করা হবে: মির্জা ফখরুল দুপুরের মধ্যে আট জেলায় ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা ডক্টরস এসোসিয়েশনের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সেল্ফ সেন্সরশিপ নয়, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে কিসের হাসিনা! মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ প্রবাসীর একদিন পর মরদেহ উদ্ধার চট্টগ্রামকে আধুনিক নগরী গড়তে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান সিডিএ চেয়ারম্যান ‘আমিও বিশ্বাস করতে চাই তিনি ডিসেম্বরেই আসবেন, আইনের মুখোমুখি হবেন’ বগুড়ায় বাসচাপায় নিহত ৭ জনের পরিচয় মিলেছে টাইফুন ডলফিন : ৫০০ ফ্লাইট বাতিল, আড়াই লক্ষাধিক মানুষকে সরাল জাপান
Advertise with us

কুয়াকাটায় এক ট্রলারে ৪৬ মণ ইলিশধরা পড়েছে, বিক্রি সাড়ে ৪৮ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

কুয়াকাটায় এক ট্রলারে ৪৬ মণ ইলিশধরা পড়েছে, বিক্রি সাড়ে ৪৮ লাখ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক ট্রলারে এক সঙ্গে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। বিপুল পরিমাণ এই ইলিশ মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিলামে বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। দীর্ঘদিন পর এক সঙ্গে এত ইলিশ ধরা পড়ায় উচ্ছ্বসিত জেলে ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে এফবি জুনাইদ নামের মাছধরা ট্রলারে জাল ফেলেন মাঝি আলমগীর। একবার জাল ফেলতেই ট্রলারটির জালে উঠে আসে প্রায় ২ হাজার ২০০ পিস ইলিশ। পরে মাছ নিয়ে শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ট্রলারটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে ফিরে আসে। মহিপুরের মনোয়ারা ফিস আড়তে নিলামের মাধ্যমে ইলিশগুলো বিক্রি করা হয়।

আড়ত সূত্রে জানা যায়, ধরা পড়া ৪৬ মণ ইলিশের মধ্যে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ছিল ২৪ মণ। এসব ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বা প্রতি কেজি ২ হাজার ৮৭৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। এতে পাওয়া যায় ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা বা প্রতি কেজি ২ হাজার ৩৭৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ অংশের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকায়।সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ নিলামে বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

ট্রলারের মাঝি আলমগীর বলেন, প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়েছি। একবার জাল ফেলতেই প্রায় দুই হাজার ২০০ পিস ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিনের লোকসানের পরে এত মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি।

মনোয়ারা ফিসের ম্যানেজার ছগির আকন বলেন, দীর্ঘদিন পর এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম অনেক বেশি থাকায় জেলেরা ভালো মূল্য পেয়েছেন। সচরাচর এত বড় আকারের ইলিশ এক সঙ্গে পাওয়া যায় না।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশির ভাগ মাছ ধরার বোটেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা মিলছে না। এর মধ্যে একটি ট্রলারে একসঙ্গে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। এতে জেলেদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একদিনে বেশি পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়াকে সামগ্রিকভাবে ইলিশের প্রাচুর্যের সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিষয়টি ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। ইলিশের এই ধারা ধরে রাখতে জেলেদের সচেতনতা, প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের খরা ছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আরও বেশি ইলিশ পাওয়া যেতে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়