শুক্রবার ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
চার হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার নাম উঠে আসা দেশের জন্য লজ্জার: প্রধানমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের ‘ই-পার্লামেন্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন আইএমএফ’র সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী বহু প্রাণের বিনিময়ে দেশ গঠনের বিরল সুযোগ এসেছে: রাষ্ট্রপতি কাল সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে কানাডা বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার ব্যবহার বাড়াতে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্যে কাজ চলছে রূপপুরে লেবুভর্তি বস্তা তল্লাশি করে ৩ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার
Advertise with us

হাতিয়ায় নেই ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা `চিকিৎসকের অভাব’, মরদেহ নিয়ে ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

হাতিয়ায় নেই ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা `চিকিৎসকের অভাব’, মরদেহ নিয়ে ভোগান্তি

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষের এই জনপদে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনা, পানিতে ডুবে, নৌকাডুবি ও আত্মহত্যায় প্রাণ হারান অনেকে। তবে মৃত্যুর পরও শেষ হয় না স্বজনদের দুর্ভোগ। কারণ, হাতিয়ায় নেই ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা। মরদেহ নিয়ে নদী পার হয়ে যেতে হয় প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে। বৈরী আবহাওয়ায় যাত্রা হয়ে ওঠে আরও কষ্টকর।

একদিকে প্রিয়জন হারানোর শোক, অন্যদিকে মরদেহ নিয়ে সীমাহীন ভোগান্তি। এমন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বাসিন্দাদের। সড়ক দুর্ঘটনা, পানিতে পড়ে মৃত্যু, নৌকাডুবি কিংবা অপমৃত্যুর ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রয়োজন হয় ময়নাতদন্ত। কিন্তু হাতিয়ায় সেই ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিটি মরদেহ নিয়ে যেতে হয় নোয়াখালী সদরে, মাইজদি জেনারেল হাসপাতালে। হাতিয়া থেকে নোয়াখালী সদরে যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম নৌপথ। নদী উত্তাল থাকলে কিংবা বৈরী আবহাওয়া দেখা দিলে বাড়ে বিপদ। স্বজনদের জন্য তখন শোকের সঙ্গে যোগ হয় সময়, অর্থ ও নিরাপত্তার বাড়তি চাপ।

অথচ হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই রয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য নির্ধারিত কক্ষ। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল, বিশেষ করে ডোম না থাকায় প্রায় ১৫ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে এই কার্যক্রম।

স্থানীয়রা জানান, আত্মীয়-স্বজনের লাশ নিয়ে নোয়াখালী যেতে হয়, ওখানে লাশ কাটার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রহর গুনতে হয়। তো এগুলোতে আসলে অনেক সমস্যা হয়।

দ্বীপের মানুষের দাবি, হাতিয়ার ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এখানে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। শুধু একটি কক্ষ থাকলেই হবে না, প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করে নিয়মিত কার্যক্রম চালুর দাবি তাদের।

হাতিয়া উপজেলায় ময়নাতদন্ত ব্যবস্থা চালুর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেয়ার দাবি স্বাস্থ্য বিভাগের।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানসী রানী সরকার বলেন, এখানে বেশিরভাগই জেলে পরিবার থাকে। বিশেষ করে আমাদের চর এরিয়ায়। আবার যদি লাশ ঘরটা আবার যদি পুনরায় চালু হয়, এখানে আমার একটা ডোম দরকার, আর একটা ফরেনসিক ডাক্তার দরকার। তাহলে আমাদের এই হাতিয়াবাসীর জন্য অনেক উপকৃত হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে হাতিয়াতেই ময়নাতদন্ত কার্যক্রম চালু হলে অপমৃত্যুর শিকার মানুষের স্বজনদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়