বৃহস্পতিবার ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

লঞ্চের কেবিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২০৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

লঞ্চের কেবিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়া ফারহান-০৪ লঞ্চের কেবিনে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সময় ওই শিক্ষার্থী ১৭ বছর বয়সী ছিলেন এবং তিনি নোয়াখালীর হাতিয়া তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চে উঠেছিলেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ মার্চ রোববার দুপুরে আমার বোনকে (১৭) হাতিয়া তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ফারহান-০৪ নামক লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে উঠিয়ে দেন আমার বাবা। ঠিক একই সময় ওই লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চে উঠে মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২)। লঞ্চ ছাড়ার কিছু সময় পরে তারা আমার বোনের কেবিনের দরজা নক করে এবং তারা আমার বাবাকে চিনেন বলে জানায়। এরপর তাদের কাছে থাকা মোটরসাইকেল ক্রয়ের বেশ কিছু টাকা নিরাপত্তার স্বার্থে আমার বোনের কেবিনে রাখার জন্য অনুরোধ করলে আমার বোন সরল বিশ্বাসে তাদের টাকা কেবিনে রাখেন।

পরে তারা কৌশলে আমার বোনের কেবিনের মধ্যে প্রবেশ করে আমার বোনের বেডে বসে পড়ে। আমার বোনের সঙ্গে কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন আমার বোনকে বিভিন্ন ধরনের কু-প্রস্তাব দিলে আমার বোন রাজি না হওয়ায় অভিযুক্তরা আমার বোনের গলা ও মুখ চেপে ধরে। তখন মিঠু আমার বোনের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে কেবিন থেকে বের হয়ে যায়। এ সময় মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন কেবিনের দরজা বন্ধ করে আমার বোনকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

ভিকটিমের ভাই এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, এ সময় আমার বোন ডাক-চিৎকার করার চেষ্টা করলে মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন এ ঘটনা কাউকে জানাইলে আমার বোনকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে কেবিন থেকে বের হয়ে যান। পরে রাত ৮টার দিকে সাকিব ও মিঠু আবারও কেবিনে প্রবেশ করলে আমার বোন চিৎকার করার চেষ্টা করলে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক আবার ধর্ষণ করে তারা। বর্তমানে ধর্ষণের শিকার হওয়া শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিম অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের নামে মামলা করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার তাদের কোর্টে হাজির করা হবে।

প্য.ভ.ম

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়