
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে ফেরা ও অভ্যন্তরীণ যাতায়াতে আকাশপথে চাপ বেড়েছে। বাড়তি যাত্রী চাপ সামলাতে সব রুটেই ফ্লাইট সংখ্যা বাড়িয়েছে এয়ারলাইন্সগুলো। তবে ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কমছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একদিন পরই ঈদুল আজহা। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে আকাশপথেও যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরছেন প্রবাসীরাও। যাত্রীরা জানান, আগের তুলনায় ভাড়া কিছুটা বেশি। যাত্রীর চাপও বেশি।
এ পরিস্থিতিতে ঘরমুখো যাত্রীদের টিকিট নিশ্চিত করতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক কয়েকটি গন্তব্যে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালু করেছে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো। এর মধ্যে নভোএয়ার আটটি অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অভ্যন্তরীণ রুটে ১৮টি এবং আন্তর্জাতিক রুটে পাঁচটি গন্তব্য-কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, মাসকাট ও রিয়া থেকে ঢাকায় মোট ১২টি অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে দেশি ও আন্তর্জাতিক দুই রুটেই অতিরিক্ত ফ্লাইট দেয়া হয়েছে যাত্রীদের সুবিধার জন্য। এসব ফ্লাইট নিয়মিত শিডিউলের বাইরে পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক রুটে কুয়ালালামপুরে সাধারণত ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়, তবে অতিরিক্ত ফ্লাইটে ট্রিপল সেভেন ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ধারণক্ষমতা ৪১৯ জন।
এদিকে জেট ফুয়েলের উচ্চমূল্যের কারণে গত এক মাসে ফ্লাইট ভাড়া বেড়েছে। এতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ যাত্রী কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত কোনো ফ্লাইট দেয়া হয়নি, কারণ সে ধরনের চাহিদা তৈরি হয়নি। মানুষের মধ্যে এয়ার টিকিটের চাহিদা আগের তুলনায় কমে গেছে।
মূলত অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব এভিয়েশন খাতেও পড়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দ্য বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, যুদ্ধের কারণে মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ, যারা ঈদ বা ছুটিতে বেশি ভ্রমণ করে, তাদের ব্যয় করার সক্ষমতা কমে গেছে।
ঈদ মৌসুমে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে এসব অতিরিক্ত ফ্লাইট পহেলা জুন পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
