রবিবার ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

হার্টের অবৈধ রিং ব্যবসা, জড়িত চিকিৎসক-নার্স

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

হার্টের অবৈধ রিং ব্যবসা, জড়িত চিকিৎসক-নার্স

হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম চোরাইপথে দেশে আনছে একটি চক্র। প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে স্টেন্ট (হার্টের রিং), বেলুন ক্যাথেটার, গাইড ওয়্যার, গাইড ক্যাথেটার, ওয়াই-কানেক্টর, ম্যানিফোলড এবং শিথ টাইগার ক্যাথেটারের মতো সরঞ্জাম অবৈধভাবে আনা হচ্ছে। ভারতে তুলনামূলক কম দামে পাওয়ায় চক্রটি নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রাজধানীসহ সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এগুলো সরবরাহ করছে। এতে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

সূত্রগুলো বলছে, এ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন নামিদামি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সরা। তাদের সিন্ডিকেটের কারণে বিপাকে পড়ছেন হৃদরোগী ও তাদের স্বজন।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই অবৈধ বাণিজ্য চক্রের প্রধান মাসুদুর রহমান। তিনি হার্টের রিং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান দ্য স্পন্দন লিমিটেড ও বোস্টন সায়েন্টিফিকের সাব-ডিস্ট্রিবিউটর। এর বাইরে তিনি নিজেই তিনটি প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। সেগুলো হলো– রিদম মেডিকেল ইন্টারন্যাশনাল, ভারটেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও থ্রিএফ ইন্টারন্যাশনাল। এর পাশাপাশি মেডি গ্রাফিক, স্পেস মেড এন্টারপ্রাইজ, প্রবর্তন সিস্টেমস লিমিটেড ও মেরিল লাইফ সায়েন্স নামে আরও চারটি প্রতিষ্ঠান বেনামে পরিচালনা করছেন তিনি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালসহ বন্দরনগরীর পার্কভিউ হাসপাতাল, সিএসসিআর হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ম্যাক্স হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক লিমিটেড, চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং অ্যাপোলো ইমপেরিয়ালে চিকিৎসা-সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে মাসুদ এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। হার্টের প্রতিটি রিংয়ে চিকিৎসকদের ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কমিশন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব হাসপাতালে গত ছয় মাসে যেসব হৃদরোগ চিকিৎসার সরঞ্জাম ব্যবহৃত হয়েছে, তার মধ্যে অবৈধভাবে আনা সরঞ্জামের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কাগজে-কলমে সচল থাকলেও বাস্তবে ভার্টেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কোনো অফিস নেই।

নিয়ম অনুযায়ী, রোগীকে কী ধরনের বা কী মানের রিং লাগানো হলো, তা জানাতে হয় এবং অস্ত্রোপচারের পর পণ্যের প্যাকেট ও বিস্তারিত তথ্য রোগীর স্বজনদের সরবরাহ করার কথা। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অপারেশনের পর রোগীদের এই বিষয়ে জানানো হয় না; বেশির ভাগ সময় রোগীকে পণ্যের প্যাকেট দেওয়া হয় না। ফলে রোগী এবং তাদের স্বজন পুরোপুরি অন্ধকারে থাকেন। এমন ৫০ রোগীর তথ্য এসেছে সমকালের হাতে। বর্তমানে ঢাকায় প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ায় এই চক্রটি চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে তাদের কার্যক্রম বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠানের ঔষধ প্রশাসনের নিবন্ধন নেই। আমি দ্য স্পন্দন লিমিটেডের সাব-ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করছি। অবৈধ সরঞ্জাম এসে থাকলে তা দ্য স্পন্দন লিমিটেড আনতে পারে, আমি শুধু হাসপাতালে মালপত্র সরবরাহ করি।’

অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরবরাহ করা হৃদরোগ সরঞ্জাম কীভাবে দেশে এসেছে জানতে চাইলে প্রথমে মাসুদ বলেন, ‘আমার নামে প্রতিষ্ঠান থাকার নথি দেখান, তার পর মন্তব্য করব। নথি দেখানোর পর তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।’

দ্য স্পন্দন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত হৃদরোগ সরঞ্জাম অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের প্যাডে হাসপাতালে সরবরাহ করার সুযোগ নেই। আমি হাসপাতালগুলোর কাছে তথ্য চাইব, তারা কেন অন্য কারও কাছ থেকে এই সরঞ্জাম নিয়েছে। এগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা হতে পারে। মাসুদ শুধু আমাদের একজন সাব-ডিস্ট্রিবিউটর, এর বাইরে তাঁর অন্য কোনো ব্যবসা থাকতে পারে, যা আমার জানা নেই।’

২০২৩ সালে নিম্নমানের উপকরণ রাখার কারণে তাদের প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল– এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহফুজ বলেন, ‘আমরা শুধু ব্যবসা করি, এর বাইরে কিছু জানি না।’

অনুসন্ধানে শুধু মাসুদ নন, হৃদরোগ চিকিৎসা সরঞ্জামের এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে চমেক হৃদরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহীম চৌধুরীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। চমেকের ক্যাথল্যাবে অবৈধ হার্টের রিং ও সরঞ্জাম ব্যবহারের দালিলিক তথ্যও পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডা. ইব্রাহীমের ভাতিজা ফায়েজ চৌধুরীর নামে কার্ডিওকিট নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে এই ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। কার্ডিওকিটের মাধ্যমে মূলত মাসুদের আনা অবৈধ হৃদরোগ চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ করা হয়।

ফায়েজ চৌধুরী এই ব্যবসা পরিচালনার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, রিদম মেডিকেল ইন্টারন্যাশনাল থেকে হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত বেলুন ক্যাথেটার ও গাইড ওয়্যার নিয়ে থাকি। চমেক হাসপাতালে বোস্টন সায়েন্টিফিকের হৃদরোগের সরঞ্জামও রিদম মেডিকেল থেকে নেওয়া হয়।

তবে বৈধভাবে এসব সরঞ্জাম আমদানি বা সরবরাহের কোনো সুযোগ নেই রিদম মেডিকেলের। নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা সরঞ্জাম কেন ব্যবহার করা হয় জানতে চাইলে ডা. ইব্রাহীম চৌধুরী বলেন, ‘আমার জানামতে নিবন্ধন ছাড়া কোনো কিছু ওয়ার্ডে ব্যবহার করা হয় না।’ তবে নথিপত্র দেখানোর পর আর কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

স্পন্দনের মাসুদকে চেনেন স্বীকার করে চমেক হৃদরোগ বিভাগের প্রধান বলেন, মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে হার্টের রিং সরবরাহ করছে, তাই সব ডাক্তারের সঙ্গেই তার পরিচয় আছে। তার অনেক প্রতিষ্ঠান আছে। চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইকবাল মাহমুদ মেডি সায়েন্স টেকনোলজি নামে একটি বেনামি কোম্পানি খুলে পার্কভিউ হাসপাতালে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা হার্টের রিং ও সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ছয় মাসে এই হাসপাতালে ব্যবহৃত হার্টের রিঙের কোনো ভ্যাট বা কর পরিশোধের কাগজ পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মেডি সায়েন্স টেকনোলজি মূলত সার্জিক্যাল সরঞ্জাম ও ওষুধের ব্যবসা করে। করোনারি ডিভাইস বা হার্টের রিং বিক্রির কোনো লাইসেন্স বা অনুমোদন তাদের নেই। পার্কভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও এ-সংক্রান্ত কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেনি।

প্রতিষ্ঠানটির মালিক মামুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি মেডিকেল যন্ত্রপাতির ব্যবসা করি। কিছু হৃদরোগ উপকরণের ব্যবসাও করতাম। তবে লাইসেন্স না থাকায় প্রশাসন ঝামেলা শুরু করলে সেই ব্যবসা থেকে সরে এসেছি।’

নিজের নামে কোম্পানি খোলার বিষয়টি অস্বীকার করে ডা. ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘পার্কভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ‘সব সময় মানসম্মত রিং কেনে। যেসব পেসমেকার লাগানো হয়, সেখানে প্রোগ্রামার হিসেবে মাসুদরা থাকে, কারণ তারা এ কাজে অভিজ্ঞ। আমি ডাক্তার, কিন্তু এখানে পেসমেকার ইঞ্জিনিয়ারিংয়েরও একটা অংশ আছে। আমরা মূলত চারটি অনুমোদিত কোম্পানির রিং ব্যবহার করি।’ তিনি বলেন, মাসুদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে বলে শুনেছি এবং অনেক হাসপাতাল তাঁর থেকে সরঞ্জাম নেয়। তবে পার্কভিউ হাসপাতালে তাঁর রিং নেওয়া হয় না।

নার্সের কাছে জিম্মি চমেকের ক্যাথল্যাব
সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, চমেক হাসপাতালে তিনটি ক্যাথল্যাব থাকলেও রহস্যজনক কারণে এর দুটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যাথল্যাবটি মূলত সিনিয়র স্টাফ নার্স ও নার্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকন্দ এবং খোকন কান্তি বিশ্বাসের কাছে জিম্মি। এই দুজনই নির্ধারণ করে দেন কোন কোম্পানির পণ্য ব্যবহার করা হবে। বেসরকারি হাসপাতালে সার্ভিস চার্জ থাকলেও এই সরকারি হাসপাতালে তারা ওটি চার্জ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা করে নেন, যা দিতে প্রতিটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বাধ্য হন।

অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি স্টেন্ট ব্যবহারের বিপরীতে চিকিৎসকদের জন্য বড় অঙ্কের কমিশন নির্ধারিত থাকে। একেকটি স্টেন্টে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা কমিশন দেওয়া হয়। কিছু ইউরোপীয় বা কোরিয়ান ব্র্যান্ডের স্টেন্টে কমিশনের পরিমাণ বেশি থাকায় চিকিৎসকদের সেগুলোর প্রতি আগ্রহ বেশি। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত কিছু ব্র্যান্ডের পণ্যে কমিশন কম হওয়ায়, সেগুলোর ব্যবহার কম হয়।

তিন বছরে পাঁচবার বিদেশ ভ্রমণের কথা স্বীকার করে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি নার্সিং পেশার বিভিন্ন প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কাজে বিদেশে গিয়েছি।’ ক্যাথল্যাব জিম্মি করার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কারও সঙ্গে খারাপ কিছু করেছি বা কাউকে কাজ করতে দিইনি– এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে আমি যে কোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে চাকরি ছেড়ে দেব। স্টেন্ট তো নির্ধারণ করেন ডাক্তার ও রোগীর স্বজন।’

আরেক সিনিয়র স্টাফ নার্স খোকন কান্তি বিশ্বাস সমকালের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

চিকিৎসকদের বক্তব্য
চমেকের হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আনিসুল আউয়াল বলেন, হার্টের রিংয়ের সরবরাহ আমরা মেইনটেইন করি না, এগুলো টেকনিশিয়ানরা দেখে। নামি কোম্পানির আড়ালে কেউ যদি অনুমোদনহীন কম দামি স্টেন্ট ঢুকিয়ে দেয়, তবে এমন সমস্যা হতে পারে।

ডা. আশীষ দে বলেন, অনেক সময় এক কোম্পানির সঙ্গে অন্য কোম্পানির ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে চিকিৎসকদের নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়। আমি মাসুদকে চিনি এবং জানি যে তাঁর কোম্পানিগুলো সরকার অনুমোদিত।

হৃদরোগ বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক সাইফুদ্দিন সোহাগ বলেন, হৃদরোগ বিভাগে এসব বিষয় তদারক করার জন্য বিভাগীয় প্রধান ইব্রাহীম চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি কমিটি আছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তাঁর নাম থাকার বিষয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

সহযোগী অধ্যাপক ডা. কাজী শামীম আল মামুন বলেন, রোগীর স্বজনরাই তাদের বাজেট অনুযায়ী স্টেন্ট পছন্দ করেন, চিকিৎসকরা শুধু পরামর্শ দেন। আমরা সব সময় মানসম্মত স্টেন্ট ব্যবহার করার চেষ্টা করি। বক্তব্য না পাওয়ায় গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আসা অন্তত ১০ চিকিৎসকের নাম আপাতত প্রকাশ করা হলো না।

রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
স্বাস্থ্য খাত-সংশ্লিষ্টদের মতে, নিম্নমানের বা অবৈধভাবে আমদানিকৃত চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর। এটি শুধু রোগীদের আর্থিক ক্ষতির কারণ নয়, বরং তাদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা বলছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে এর একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের একজন অধ্যাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিটি মেডিকেল ডিভাইস একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা মেনে সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হয়। অবৈধ পথে আসায় এই কোল্ড চেইন বজায় থাকে না, ফলে ডিভাইসগুলো কার্যকারিতা হারায়। এতে রোগীরা প্রতারিত ও ঝুঁকিতে পড়ছেন, আর সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এই সংকট নিরসনে সরকারের উচিত এসব পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহা. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘হার্টের রিং অবৈধ পথে দেশে আসছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। কিছু অসাধু চিকিৎসক ও ব্যক্তি এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। নিবন্ধন ছাড়া কোনো মেডিকেল ডিভাইস আমদানি বা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তদন্তে সত্যতা ও যথাযথ প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়