মঙ্গলবার ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
‘৭ জনের ফাঁসির রায়ে একটা ককটেল বিস্ফোরণ বড় কিছু নয়’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেক হাসপাতালে এসি নামমাত্র, ৫৮টি এসির ৪৬টিই অকেজো চট্টগ্রামে অনলাইন প্রতারণার দায়ে গ্রেপ্তার ৬২ বিদেশি নাগরিকের দুই দিনের রিমান্ড সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু ঢাকা-পাটুরিয়া মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ১৩ গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে, ২২ দিন ইলিশ ধরা ও কেনাবেচাতে নিষেধাজ্ঞা দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের সরকারি ছুটি ফরিদপুরে সরকারি জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
Advertise with us

রাজধানীতে সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৮৪: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রাজধানীতে সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৮৪: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

গত সাড়ে ৬ বছরে রাজধানী ঢাকায় ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৩৪ জন (৭৪ দশমিক ৭১ শতাংশ), নারী ২১৯ জন (১৫ দশমিক ৮২ শতাংশ) এবং শিশু ১৩১ জন (৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ)।

আজ শনিবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনার ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে পথচারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মোট নিহতের মধ্যে ৫৯২ জন (৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ) পথচারী, ৫৩৬ জন (৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ) মোটরসাইকেল আরোহী এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রী ২৫৬ জন (১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ)।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাতে দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। এ সময়ে নিহত হয়েছেন ৫১৯ জন (৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ)। সকালে ২৫৮ জন (১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ), দুপুরে ১৯৫ জন (১৪ দশমিক ৮ শতাংশ), বিকেলে ১৭৪ জন (১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ), ভোরে ১৪২ জন (১০ দশমিক ২৬ শতাংশ) এবং সন্ধ্যায় ৯৬ জন (৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের হার সবচেয়ে বেশি ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। এরপর রয়েছে মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, রাজধানীতে রাতে ও সকালে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। বাইপাস সড়ক না থাকায় রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এতে রাস্তা পারাপারের সময় পথচারীরা বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী যানজটের কারণে চালকদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্য হীনতা তৈরি হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যানবাহনের তুলনায় অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের চলাচল, স্বল্পগতির ও দ্রুতগতির যানবাহনের একসঙ্গে চলাচল, ফুটপাত হকারদের দখলে থাকা, প্রয়োজনীয় স্থানে ফুটওভার ব্রিজ না থাকা, বিদ্যমান ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার উপযোগী না থাকা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার কারণে রাজধানীতে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বাড়ছে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড ও বিমানবন্দর সড়ক বর্তমানে রাজধানীর দুর্ঘটনা প্রবণ হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানি-ভিত্তিক বাস সার্ভিস চালুর সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। একই সঙ্গে বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের মধ্যে সমন্বিত বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়