
নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

টানা ষষ্ঠ দিনের মতো উপাচার্য অপসারণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে প্রত্যাখান করে শিক্ষার্থীরা তাকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় এই কর্মসূচি পালন করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। সকালে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী গ্রাফিতি অঙ্কনও করা হয়।
আগের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা। এমনকি নতুন উপাচার্যকে ঠেকাতে শিক্ষার্থীরা রাত জেগে পালা করে মূল ফটক পাহারাও দিচ্ছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি চলমান। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্য হিসেবে আমরা সকলের প্রিয় অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চাই। এতদিন কেটে যাওয়ার পরও দাবি পূরণ না হওয়া হতাশাজনক। আমরাও আমাদের ক্লাসে ফিরতে চাই। সরকারের কাছে আকুল আবেদন, যেন আমাদের একাডেমিক লাইফ ও ক্যারিয়ারকে প্রাধান্য দিয়ে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত তা গ্রহণ করে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপাচার্য পদে যোগ দেওয়া অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ‘প্রত্যাখান’ করে বিক্ষোভ মিছিল করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এদিকে রোববার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে ‘চুয়েট শিক্ষক সমিতি’। পাশাপাশি চুয়েট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করলে সেদিন রাত থেকেই আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা শাটডাউন কর্মসূচি দেয়। পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করে তারা আন্দোলন করতে থাকে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে অনলাইনে উপাচার্য পদে যোগ দেন নতুন নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। ওইদিন রাতে ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল হয়; যাতে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।
গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পান বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।
