
নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

শরীয়তপুরে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞায় মৎস বিভাগের চলমান অভিযানে জেলেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় দিকে পদ্মা নদীর জাজিরা উপজেলার পালেরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এসময় অভিযানে থাকা শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলামকে বহনকারী স্পীড বোটেও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে জেলেরা। এ ঘটনায় সংসদ সদস্য নিরাপদে আছেন। তবে, অভিযানে অংশ নেওয়া ২ সদস্য আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও মৎস বিভাগ জানায়, সোমবার ভোর রাত ৪ টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে পদ্মা নদীর জাজিরা অংশে অভিযানে নামে কোষ্টগার্ড, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস বিভাগ। সকাল ৯ টার দিকে পালেরচর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর দুর্গম চর কলিকাল এলাকায় পৌঁছলে অভিযানকারী দলের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালায় জেলেরা।
জেলেদের হামলার মুখে পিছু হটে অভিযানকারী দলের সদস্যরা। পরবর্তীতে অতিরিক্ত নৌ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযানকারী দলের সাথে যোগ দিলে জোরালো অভিযান চালায় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। যৌথ বাহিনীর অভিযানের মুখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
এর আগে, গত রাত ৪ টার থেকে চলমান অভিযানে সকাল পর্যন্ত ৩৬ জেলেকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয় ৩ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০ কেজি মা ইলিশ।
শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, শরীয়তপুরের কিছু স্থানে অসাধু কিছু জেলে মা ইলিশ শিকার করছেন। অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হচ্ছে। গত ১০ দিনে ২০টি অভিযানে ৭২ জেলাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযান চলাকালীন সময়ে কিছু অসাধু জেলে আক্রমনাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেছিলো। আমরা তাদেরকে নিভৃত করে সক্ষম হয়েছি।
শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম বলেন, মৎস্য বিভাগের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই মুহূর্তে নদীতে যারা মা ইলিশ শিকার করছেন তারা কেউ নিবন্ধিত জেলে নন এমন তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে এসেছে। যার প্রেক্ষিতে আমি নিজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে পদ্মা নদীতে অভিযানে নেমেছি। ভোররাত থেকে অভিযান চালিয়ে ৪১ জেলাকে আটক করা হয়েছে।
