বুধবার ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
দেশের পাঁচটি অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত সরকারের অপারেশন ক্লিন হার্টের কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী চীনের সঙ্গে ঋণ নয়, যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ চট্টগ্রাম কাস্টমসে ১১ লটের পণ্য খালাসের অনুমতি, সময়সীমা তিন কার্যদিবস পদ্মায় ইলিশ ধরায় ১০ জেলের কারাদণ্ড, দেড় লাখ মিটার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর হুথিদের তেল কোম্পানিতে সৌদির হামলা, ২ জন নিহত যাত্রীদের টিকিট কেনার গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা বাংলাদেশ রেলওয়ের আগামী মন্ত্রিসভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে উপস্থাপন করা হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
Advertise with us

চীনের সঙ্গে ঋণ নয়, যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

চীনের সঙ্গে ঋণ নয়, যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে ধীরে ধীরে যৌথ ও সরাসরি বিনিয়োগের দিকে যেতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আলোচনায় চীনের সঙ্গে যে-সব বিনিয়োগ উদ্যোগ নেওয়া হবে, সেগুলোতে ঋণের পরিবর্তে অংশীদারত্বভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে অর্থায়নের কাঠামোয় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সার্বভৌম ঋণ ও অন্যান্য ঋণভিত্তিক অর্থায়নের ওপর যে নির্ভরতা রয়েছে, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ইকুইটি বা মালিকানাভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে যৌথ বিনিয়োগ ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে দু’দেশের অংশীদারত্ব জোরদার করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা ঋণ থেকে সরে এসে ক্রমান্বয়ে বিনিয়োগের দিকে বেশি যাচ্ছি। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি, এক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে।

সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, শুধু ঋণ নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে এমন অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে বিনিয়োগকারী ও বাংলাদেশ যৌথভাবে প্রকল্পের অংশীদার হবে। এতে ভবিষ্যতে সরাসরি ও যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে।

চীনের সঙ্গে এ ধরনের অর্থায়ন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতে ঋণের পাশাপাশি ইকুইটি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে কোন প্রকল্পে এ ধরনের বিনিয়োগ হবে, অর্থায়নের অনুপাত কী হবে কিংবা কবে থেকে নতুন কাঠামো কার্যকর হবে—সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা

এদিকে, আজ (বুধবার) অপর এক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ঋণ ব্যবস্থাপনা, সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অনুদানভিত্তিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে। দেশটি থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি ও বিভিন্ন পণ্য আমদানির বিষয় তুলে ধরে বাংলাদেশের জন্য আর্থিক সহায়তা ও অনুদানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আমদানি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও সহায়তা প্রত্যাশা করছে সরকার। এ বিষয়ে মার্কিন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা একমত হয়েছে। তবে কী পরিমাণ অর্থ বা কোন ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি তিনি।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বাংলাদেশের কৃষি খাতে সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

গণমাধ্যমের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি খাতে কী ধরনের সহযোগিতা দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে কৃষি খাতে সম্ভাব্য সহায়তার পরিমাণ, প্রকল্প বা অর্থায়নের ধরন সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়