বুধবার ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি আজ ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মহানবীর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিককে ‘আরও প্রফেশনাল ওয়েতে’ প্রশ্ন করার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান সরকারের ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে, ফ্যামিলি কার্ড পাবে ৪১ লাখ পরিবার সম্পর্ক বজায় রাখতে গেলে পানির গেট খুলে দেয়া যাবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ডে এসিডের ব্যবহার ও ধর্ষনের আলামত পাওয়া যায়নি রোহিঙ্গা পত্যাবাসন নিয়ে সরব দুই দেশ, কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের সড়ক দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে নতুন উদ্যোগ সরকারের
Advertise with us

খোলা তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি,লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৭৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

খোলা তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি,লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে। বিশেষ করে বড় প্রভাব দেখা গেছে ভোজ্যতেলে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা ভোজ্যতেলের লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে খোলা পাম তেলের দামও।

ঈদুল ফিতরের আগে থেকেই ভোজ্যতেলের দাম একটু একটু করে বাড়ছিল। তবে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেশ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের অজুহাতে পরিবহন মালিকরা ভাড়া বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসবের প্রভাব পড়েছে পাইকারি ও খুচরা বাজারের তেলের দামে।

​খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, মিলগেট থেকে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে; যার প্রভাব পড়েছে ভোক্তা পর্যায়ে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর রায়সাহেব বাজার, কলতাবাজার, লক্ষ্মীবাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে খোলা সয়াবিন সাধারণত কেজি ও লিটার দুভাবেই বিক্রি হয়। সরেজমিন দেখা গেছে, বাজারভেদে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ গত সপ্তাহেই খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় কেনা গেছে। একইভাবে খোলা পাম তেলের দাম প্রতি লিটার ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যার দাম গত সপ্তাহে ছিল প্রায় ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা প্রতি লিটার।

রহমান অয়েল ট্রেডার্সের মালিক আব্দুর রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। আমরা আগের দামে কিনতে পারছি না, তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ভাই ভাই ভোজ্য তেল ভান্ডারের বিক্রয়কর্মী মো. সোহেল জানান, সরবরাহ ঠিকমতো না থাকায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। কোম্পানি থেকে বেশি দামে তেল আসছে, তাই খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ছে।

মা ট্রেডার্স আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকার মিজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশে সমন্বয় করা হয়নি। এর ওপর যুদ্ধের কারণে আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহন খরচও বেড়েছে ট্রাক প্রতি ১ হাজার টাকার মতো। এর ফলে তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে ক্রেতারা এই মূল্যবৃদ্ধিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ক্রেতা রহিমা বেগম বলেন, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

আরেক ক্রেতা হাসান আলী বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে তেলের দাম এতটা বাড়বে ভাবিনি। আমাদের আয় বাড়ছে না, কিন্তু খরচ বাড়ছেই।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে ভোজ্যতেল পরিশোধন কোম্পানিগুলো খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম সমন্বয় করেছিল। তাতে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭৬ ও পাম তেলের দাম ১৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এখন সেই ঘোষিত দামের চেয়েও ২০-২৫ টাকা বেশি দামে বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেল বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়