
নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ইরানযুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় অনিশ্চয়তার মধ্যেই শুরু হয়েছে হজযাত্রা। অর্ধেক যাত্রী বহন করবে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে সৌদিতে পোস্টিং দেয়া হয়েছে বিমানের ৩৫ সদস্যের এক বিশেষ টিমকে। তবে বিমানের এ সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করছেন সাবেক কর্মকর্তারা।
নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও হজ কাফেলাকে কেন্দ্র করে হাজিদের ফ্লাইটসহ অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে সৌদিতে অস্থায়ীভাবে পোস্টিং দেয়া হয়েছে বিমানের ৩৫ সদস্যের এক বিশেষ টিমকে। প্রি-হজ ফ্লাইটে বিমানের কাস্টমার সার্ভিস জেনারেল ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন এরইমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন, ধাপে ধাপে যাবেন বাকিরাও।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, এ তালিকায় যুক্ত রয়েছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কারিগরি ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীরা। ত্রুটি-বিচ্যুতি এড়িয়ে সেবার মান বাড়াতে পাঠানো হচ্ছে দক্ষ জনবল।
বিমানের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বলেন, ‘কার্যক্রম সুস্থভাবে সম্পন্ন করার জন্য যতটা না নিলেই নয়, ততটা নিয়েছি। মোট ৩৫ জন নেয়া হয়েছে।’
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রাশাসনিক চিঠিতে দেখা যায়, হজ কার্যক্রমের সবচেয়ে বড় বিভাগে আছে কাস্টমার সার্ভিস। ফিরতি ফ্লাইটসহ এ বিভাগে কাজের জন্য অস্থায়ীভাবে মোট ১৪ জনকে হজ পোস্টিং দিয়েছে সংস্থাটি। এ দলে আছেন সংস্থাটির ডিরেক্টর কাস্টমার সার্ভিস বদরুল হাসান লিটন এবং জেনারেল ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ। যাদের রয়েছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের সব সার্ভিস মনিটরিংয়ের দায়িত্ব।
শীর্ষ পদের কর্তারা এক কেন্দ্রিক সেবায় যুক্ত থাকায় অন্যান্য রুটে গ্রাহক সেবা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও বিমান বলছে, প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তেই ৪১ দিনের জন্য সৌদিতে হজ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন গ্রাহক সেবা পরিচালক এবং মহাব্যবস্থাপক।
বোসরা ইসলাম বলেন, ‘২১৫টি ফ্লাইট শিডিউল ফ্লাইটের বাইরে। কোম্পানির প্রয়োজন হলে তো কোম্পানি খরচ করবেই। সংকটের বিষয়টি বুঝে প্রয়োজনেই এটি করা হয়েছে।’
এদিকে, এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে হজযাত্রার বাইরে অন্যান্য ফ্লাইটে জটিলতা তৈরির শঙ্কা দেখছেন বিমানের সাবেক পরিচালক নাফিজ ইমতিয়াজ উদ্দিন।
তিনি বলেন, হজ মৌসুমের বিশাল এই কর্মযজ্ঞে বাংলাদেশ বিমানের প্রি-হজ ফ্লাইট ১০৮টি। এসব ফ্লাইটে পাড়ি জমাবেন ৩৯ হাজার ৬৪৩ জন যাত্রী।
