মঙ্গলবার ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
চলচ্চিত্রকে আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করা মিষ্টির আসনে উপনির্বাচন হবে ১২ নভেম্বর শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ককরোচ পার্টির সরকারি নির্দেশনায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্র ছাড়ছেন পর্যটকেরা দুর্গাপূজাকে ঘিরে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার বিধবা কার্ড দেওয়া হলেও এমপির বউ সবার আগে পাবে: হাসনাত ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিতের চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী ষাটের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই সাতক্ষীরায় ট্রাকের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষিকা নিহত সৌদি আরবের পাশে থাকবে ঢাকা জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ
Advertise with us

সরকারি অফিসে বসে কোটি কোটি টাকা আয় আমলাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ২৫ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৯৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সরকারি অফিসে বসে কোটি কোটি টাকা আয় আমলাদের

জনগণের সেবক হয়েও সরকারি চাকরিজীবীরা নির্ধারিত দাপ্তরিক কাজের বাইরে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ ও ভার্চুয়াল বৈঠকের নামে কোটি কোটি টাকা সম্মানী নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে একুশে টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের একটি অনলাইন কর্মশালায় অংশ নিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তারা মোটা অঙ্কের সম্মানী গ্রহণ করেছেন।

যদিও, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, বিসিএস নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা কিংবা ১০ কোটি টাকার বেশি কেনাকাটার প্রাক্কলন কমিটির সভাতে অংশ নিলে তাদের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সম্মানী নির্ধারিত রয়েছে।

অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৮ বছরে শুধু প্রশিক্ষণের নামে প্রায় ১৯ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এ বিপুল অর্থের সুবিধা ভোগ করেন মূলত নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অথচ দাপ্তরিক কাজে সহায়তা দেওয়া নিম্নস্তরের কর্মচারীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকেন।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে সভা বা কর্মশালা আয়োজন না করেই ভুয়া নথিপত্রের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও ঘটেছে। উদাহরণ হিসেবে ২০২০ সালের করোনা লকডাউনের সময় বিআইডিবির কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বন্ধ কার্যালয়ে ভুয়া কর্মশালা ও খাবারের বিল দেখিয়ে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে, যা পরে অডিট প্রতিবেদনে ধরা পড়ে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের পর রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কৃচ্ছ্রসাধনের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি নিজের প্রোটোকল কমানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও সেমিনার ব্যয় ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর পরিপত্রও জারি করেছেন।

এমন অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তাদের এই ধরনের সম্মানী গ্রহণ ও অতিরিক্ত ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর মতে, নিজেদের সুবিধার্থে তৈরি করা এসব বিধি ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল। সংস্থাটি বলছে, দরিদ্র দেশের জনগণের ওপর হাজার কোটি টাকার এই অতিরিক্ত বোঝা কতদিন চাপিয়ে রাখা হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 ১২
৩৪৫৭৮৯
১০১১১১৩৪১৫১৬
১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৯৩০
৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়