রবিবার ৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ

ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নভোএয়ার ভিকিউ-৯৩৫ ফ্লাইটটি উড্ডয়নের প্রায় ১৫ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে ওপরে না ওঠায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর দিয়ে অবশেষে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ছিলেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

হুমায়ুন কবীর বলেন, নভোএয়ারের ‘বিকিউ-৯৩৫’ ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। তবে উড্ডয়নের মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই এটি যান্ত্রিক সমস্যার সম্মুখীন হয়। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে ওপরে উঠছিল না। ক্যাপ্টেন বারবার চেষ্টা করলেও সেটি প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি বিমানটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে অবস্থান করার পর বিমানটি নিরাপদে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

তিনি বলেন, আমি বিমান চলাচল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই। তবে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে, ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্তটি একেবারেই সঠিক ছিল। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। তবে এ সময় বিমানের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের কান্নাকাটি এবং যাত্রীদের উদ্বেগ পরিস্থিতিকে আরও অস্বস্তিকর করে তোলে।

হুমায়ুন কবীর বলেন, ল্যান্ডিং গিয়ার ওপরে উঠছিল না বলে ক্যাপ্টেনকে অবতরণের আগে কিছু সময় আকাশে থাকতে হয়েছে। তিনি ধীরে ধীরে বিমানের গতি কমিয়ে নিরাপদ অবতরণের প্রস্তুতি নেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিরাপদেই অবতরণ করে, আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

এ ঘটনার পর পুরোনো উড়োজাহাজের ফিটনেস পরীক্ষা আরও কঠোর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলো যে পুরোনো উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে, সেগুলোর ফিটনেস আরও কঠোরভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। নিয়মিত ও কার্যকর ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও গুরুতর দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এটি শুধু বিমান চলাচল নয়, যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়