
নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কিশোরগঞ্জ-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাকুন্দিয়া এলাকা যেন মরণ ফাঁদ। গত তিন মাসে এই সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক। স্থানীয়দের আভিযোগ, ট্রাক-বাসের বেপরোয়া গতি এবং অনিয়ন্ত্রিত থ্রি-হুইলারের চলাচলই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
১৯ আগস্ট ষাটোর্ধ নূর মিয়া, স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশায় যাচ্ছেলেন জেলা শহরে। পথে কিশোরগঞ্জ-ঢাকা সড়কে ট্রাকের চাপায় নিহত হন নূর মিয়া ও তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহন হন মেয়ে মর্জিনা বেগমসহ আরও ২ জন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত তিন মাসে এই সড়কের পাকুন্দিয়ায় দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৯টি। এতে নারী-পুরুষসহ প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক।
স্থানীয়দের আভিযোগ, যানবাহনের বেপরোয়া গতি ও থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চালকদের পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম না পাওয়াও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
কিশোরগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, ‘সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন বলেন, ‘দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে প্রতিদিন শতাধিক বাসসহ বিভিন্ন ধরনের সহস্রাধিক পরিবহন চলাচল করে।
