রবিবার ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
২ দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ৩৬,০০০ ফুট উঁচুতে বিকলএয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটের হাইড্রলিক ব্যবস্থা, আহত ২৪ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাভারে পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা শেষকৃত্য শুরু করেছিল পরিবার,নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার আজ ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির আভাস পুনঃপেনশন ও ভাতা বাস্তবায়নের দাবি গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদেরগ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনঃপেনশন ও বিভিন্ন ভাতা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি। এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্টের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়নেরও দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে সমিতির নিউজ লেটার ‘গ্রামীণ অবসর’-এর ৮ম সংখ্যার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব দাবি জানান। সমিতির সভাপতি কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সহ-সভাপতি মো. হাবিবুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। এতে উপদেষ্টা এ কে এম গোলাম মাওলা ও মহাসচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান শুভেচ্ছা ও স্বাগত বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রায় ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবার চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটালেও তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে না। পুনঃপেনশন ও বিভিন্ন ভাতা বাস্তবায়ন না করায় তারা গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, অবসরপ্রাপ্তদের দাবি আদায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। গ্রামীণ ব্যাংকের টালবাহানা আর সহ্য করা হবে না। এ সময় পুনঃপেনশন ও ভাতাদি প্রদানে সরকারের হস্তক্ষেপ এবং সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা। অনুষ্ঠানে আবু নোমান মো. বজলুর রহমান, মো. হায়দার আলী, মো. আবুল খায়ের, আবদুর রশিদ খান, শরীফ মোহাম্মদ, জগদীশ ভঞ্জ, সৈয়দ মো. এনাম উল্লাহ, প্রদীপ্ত শাহীন ও সুভাশিষ ভৌমিকসহ সমিতির সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বক্তব্য দেন। এ ছাড়া নিউজ লেটার ‘গ্রামীণ অবসর’ নিয়মিত প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। তারা নিউজ লেটারটির মানসম্মত প্রকাশনা ও গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলোর প্রশংসা করেন। সরকার লংমার্চে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে, ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম আনোয়ারায় র‌্যাবের অভিযানে মিলল কোটি টাকার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ২ কূটনৈতিক-দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
Advertise with us

শেষকৃত্য শুরু করেছিল পরিবার,নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

শেষকৃত্য শুরু করেছিল পরিবার,নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার

 

নেপালের প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাজার-হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে একটি চন্দিকা শ্রেষ্ঠার। ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যায় তার বাড়ি। এরপর টানা আট দিন ধরে ৬৪ বছরের চন্দিকা খুঁজে পরিবার। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তারা ধরে নেন চন্দিকা আর বেঁচে নেই। এরপর পরিবার কুশ ঘাস দিয়ে তার প্রতীকী মরদেহ তৈরি করে এবং মৃত্যুর আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়।

কাঠমন্ডুর সানো ভারিয়াংয়ে পরিবারের বাড়িতে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলে ১১তম দিনে বদলে যায় সবকিছু। চন্দিকাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে, একই বাড়িতে থাকা চন্দিকার পরিবারের অন্য চার সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের বেত্রাবতী বাজারে আনন্দ শ্রেষ্ঠার বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় চন্দিকাকে উদ্ধার করা হয়। সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর পরিদর্শক সুমন বিকের নেতৃত্বে এ উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, নুয়াকোটের বিদুর পৌরসভা-১০-এর বাসিন্দা চন্দিকা বন্যার সময় স্বামীর সঙ্গে বাড়িতেই ছিলেন। প্রবল স্রোতে তাদের সাড়ে চারতলা বাড়িটি ভেসে যায়। পরে বাড়িটি ত্রিশূলী নদীর তীরে কোথাও আটকে যায় বলে জানান তার আত্মীয় রমেশ মান শ্রেষ্ঠা।

রমেশ বলেন, ‘আমরা আট দিন ধরে খুঁজেছি। কোথাও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম।’

চন্দিকার জামাইও দুই-তিন দিন বেত্রাবতী ও ত্রিশূলী নদীর তীর ধরে তাকে খুঁজেছিলেন। কিন্তু পরে ওই এলাকায় প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। আশপাশে মরদেহ পচতে শুরু করায় দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়া সম্ভব ছিল না। গভীর কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে উদ্ধারকারীরাও কিছু এলাকায় পৌঁছাতে পারেননি।

অনুসন্ধান ব্যর্থ হওয়ার পর পরিবার আলোচনা করে চন্দিকার শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেয়। রমেশ বলেন, ‘আমরা কুশের মরদেহ তৈরি করে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা করার সিদ্ধান্ত নিই।’
উদ্ধারের পর হেলিকপ্টারে করে চন্দিকাকে ত্রিশূলীর নেপাল আর্মির মাইবাল ব্যারাকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কাঠমান্ডুর ছাউনির আর্মি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা পরিবারকে ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বলেছেন। ফলে রমেশ এখনো সরাসরি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি; হাসপাতালের বাইরে থেকে দূর থেকেই তাঁকে দেখার চেষ্টা করছেন।

চন্দিকার নাতিও হাসপাতালে রয়েছে। রমেশ জানান, নানিকে দেখে ছেলেটি অনবরত কাঁদছে এবং ঠিকমতো খাওয়াদাওয়াও করছে না। তার ভাষায়, ‘মনে হচ্ছে, সত্যিই এই পৃথিবীতে ঈশ্বর আছেন।’

নেপালের ভয়াবহ এই বন্যায় ১,৩৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো নিখোঁজ ৫০০০ মানুষ।

সূত্র: দ্য কাঠমন্ডুপোস্ট/ দ্য স্টেটসম্যান

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়