রবিবার ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
কোষ্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কাপড়বাহী ট্রলার জব্দ নেপালে ভয়াবহ বন্যার ৩৭ দিন পর মালয়েশীয় নাগরিক জীবিত উদ্ধার কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছে বিক্ষোভকারীরা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কৃষি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ: কৃষিমন্ত্রী আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা থেকে মুক্তির দাবি জামায়াতের প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে, রিমান্ডে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান মাগুরায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফের বিতর্ক, বন্ধ মিটারের বিল ২৯ হাজার দেশে গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদাতে গুরুত্ব পাচ্ছে ভোলার গ্যাসসম্পদ বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৯৩ কোটি ডলার
Advertise with us

মাগুরায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফের বিতর্ক, বন্ধ মিটারের বিল ২৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

মাগুরায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফের বিতর্ক, বন্ধ মিটারের বিল ২৯ হাজার

মাগুরায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আবারও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। চার মাস ধরে বিচ্ছিন্ন থাকা একটি মিটারে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক বাবু মোল্যা দাবি করেছেন, অন্য এক গ্রাহকের বকেয়া বিল তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বাবু মোল্যা মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাসিন্দা। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও চলতি মাসে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা বিল করা হয়েছে।

বাবু মোল্যা বলেন, বিল দেখে আমি খুবই চিন্তিত ও অবাক হয়েছি। আমার বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে অন্য একটি মিটারের বকেয়া টাকা যোগ করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

তিনি জানান, মাগুরার পথেরহাট স্ট্যান্ডে তার একটি চায়ের দোকান রয়েছে। প্রায় এক বছর আগে হারুন নামের এক ব্যক্তিকে মিটার স্থাপনের জন্য ৯ হাজার টাকা দেন তিনি। পরে আলাউদ্দিন নামের এক গ্রাহকের পুরোনো একটি মিটার তাঁর দোকানে স্থাপন করা হয়।

বাবু মোল্যার ভাষ্য, ওই মিটার প্রায় সাত মাস চালানোর পর আগের গ্রাহকের নামে ২৬ হাজার টাকা বকেয়া দেখিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর থেকে প্রায় চার মাস ধরে দোকানের মিটারটি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিল এসেছে। একই সঙ্গে আগের গ্রাহকের বকেয়া বিল তার বাড়ির মিটারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাকে কোনো নোটিশও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) এস এম শাহিন আহসান বলেন, ওই গ্রাহকের নামে অন্য একটি মিটারের বিল বকেয়া ছিল। এ বিষয়ে কয়েকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় বর্তমান মিটারের সঙ্গে পুরোনো বিল যোগ করা হয়েছে। এ কারণেই বিলের পরিমাণ বেড়েছে।

এর আগে, মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক নারী গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি বিল দেওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ওই ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম), ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারসহ (ডিজিএম) কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বিলের অভিযোগ সামনে এল। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ ও বকেয়া সমন্বয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়