সোমবার ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

‘মাতৃভাষা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে?’ কোর্স বন্ধের খবর উড়িয়ে দিলেন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

‘মাতৃভাষা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে?’ কোর্স বন্ধের খবর উড়িয়ে দিলেন মন্ত্রী

উচ্চশিক্ষায় বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ ছয় বিষয় বাদ পড়ছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, “আমার জানামতে, এরকম কোনো আলোচনা হয়নি। আর বাংলা মাতৃভাষা, এটা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে?

“এমন কোনো আলোচনা হয়নি। আমার জ্ঞাতসারে নেই। আমি জানি না এই নিউজ কোথা থেকে আসল।” মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন ইত্তেফাকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, “দেশের উচ্চশিক্ষাকে কর্মমুখী করতে শিক্ষা কাঠামোতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ প্রায় ৬ বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল করা হচ্ছে।” একই ধরনের খবর আরো কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনার্স কোর্স কমিয়ে আনা বা কোনো বিষয়ে অনার্স কোর্স বন্ধ করার কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নেই।

এহছানুল হক মিলন বলেন, “আমরা কারিগরিকে ইম্পোর্টেন্স দিচ্ছি। আমরা আধুনিক করছি। আমরা মোর সাবজেক্ট যেগুলি মার্কেট ডিমান্ড রয়েছে, সেগুলিকে আমরা দেখছি; সেতো প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে। “কিন্তু বাংলা, দর্শন, ইতিহাস বাদ পড়বে—এই আলোচনা আমরা কোথাও শুনিনি এবং আমরাও কোথাও করিনি।

“মার্কেট ডিমান্ড অনুযায়ীতো কোর্স আমরা রেগুলারলি ইন্ট্রোডিউস করছি, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি এবং প্রত্যেকটি লেভেলেই আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। বাট বাংলাকে বাদ দিয়ে, ইতিহাসকে বাদ দিয়ে; এমন কথা কোথাও হয়নি।”

এদিন দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন অনার্স কোর্স বন্ধের ব্যাপারে সরকার কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোন সিদ্ধান্ত নেই।”

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়