
নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী আমবাগান এলাকায় দুর্ধর্ষ মাদককারবারি আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় দুইজন উপ-পরিদর্শক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে অভিযান চালিয়ে মাদককারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে খুলশী আমবাগান রেললাইনসংলগ্ন তরুণ সংঘ মাঠ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ডবলমুরিং থানাধীন দেওয়ানহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মহসিন উদ্দিন রুবেল ও আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম।
পুলিশ জানায় , খুলশী ঝর্ণাপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত আলমগীর। মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আলমগীর একাধিক কিশোর গ্যাং গ্রুপ পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র প্রদর্শন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে। একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে ফের মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
পুলিশ অভিযান চালাতে গেলে, স্থানীয় লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে একত্রিত হয়ে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। পরে আলমগীরের অনুসারীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে প্রথমেউপ-পরিদর্শক মহসিন উদ্দিন রুবেল ও মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আমবাগান এলাকায় মাদককারবারি আলমগীরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ওপর আকস্মিক হামলা চালায় একদল কিশোর গ্যাং সদস্য। তারা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আলমগীরের পরিবারের একাধিক সদস্য মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার মা রেনু বেগম ও ভাই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধেও মাদককারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম বলেন, রাতে আলমগীরকে গ্রেপ্তারে অভিযানে পুলিশের উপর হামলা করা হয়েছে। সে ঝর্ণাপাড়া এলাকায় থাকে। ওই এলাকাটি ডবলমুরিং থানার আওতাধীন। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। রাত ১১ টার দিকে ১৫ মামলার শীর্ষ মাদককারবারি আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ।
