মঙ্গলবার ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
ব্যাংকিং খাতের মতো বীমা খাতেও অনিয়ম-লুটপাট হয়েছে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘বৈদ্যুতিক ট্রেন’ চালুর ঘোষণা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পরও সরকারি দায়িত্ব পালন করেন ইউএনও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ড্রোনের মাধ্যমেও ইয়াবা ঢুকছে বাংলাদেশে ‘লেডি মীর জাফর’ উল্লেখ করে ফেসবুকে পোস্ট ডিএজির: হাইকোর্টে নালিশ রুমিন ফারহানার আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত, আমাদের গলায় শক্তি বেশি: জি কে গউস শ্যামলীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট করা হবে: ববি হাজ্জাজ ১২ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রেনের ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধর অর্ধগলিত নারীর লাশ উদ্ধার, প্রেমিকাকে দ্বিখণ্ডিত করেন প্রেমিক ও তার মা
Advertise with us

বিভাগীয় সমাবেশের তারিখ জানালো জামায়াত জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১০০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বিভাগীয় সমাবেশের তারিখ জানালো জামায়াত জোট

গণভোটের ‘গণরায়’ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় ঐক্য’। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৬ মে থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করবে দলগুলো।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বৈঠকশেষে সাংবাদিকদের সামনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।

১৬ মে রাজশাহীতে, ১৩ জুন চট্টগ্রামে, ২০ জুন খুলনায়, ২৭ জুন ময়মনসিংহে, ১১ জুলাই রংপুরে, ১৮ জুলাই বরিশালে এবং ২৫ জুলাই সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ হবে।

এসব সমাবেশে সিটি করপোরেশন, বিভাগীয় শহর ও জেলাকে সম্পৃক্ত করার কথা বলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আযাদ।

তিনি বলেন, বৈঠকে বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আযাদ বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারা। সবশেষে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় হবে মহাসমাবেশ।

সামনে কোরবানীর ঈদ থাকায় ‘বেশি কর্মসূচি দেওয়া যায়নি’ জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রতি মাসেই প্রোগ্রাম রয়েছে। তবে ঈদের আগে বেশি প্রোগ্রাম দিতে পারছি না।”

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা ঠিক করে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়েছিল। আর সেসব সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের সম্মতি নিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন হয় গণভোট।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখার কথা। সংসদের মতই সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল।

জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা সেদিন দুটি শপথ নিলেও বিএনপির এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফলে নির্ধারিত সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে বিরোধীদলীয় নেতা, জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দেন। তাতে সাড়া না পেয়ে সংসদ থেকে ‘ওয়াকআউট’ করে বিরোধী দল।

এরপর জোটের নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ এপ্রিল বিকালে ঢাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে ১১ দলীয় ঐক্য। পরে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ, সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল, সব জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ঢাকায় সেমিনার করে এই মোর্চা।

সেসব কর্মসূচি পেরিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এবার বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি এল।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে মানুষ দায়িত্ব দিয়েছিল সরকার বা রাজনৈতিক দল তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে। সরকার সংসদে ক্ষমতার জোরে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দাবি করে এখন সংবিধান সংশোধনের কথা বলছে।

“আমরা এটার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গণভোটে ‎জনগণের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। জনগণকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করা হবে।”

এদিন মগবাজারের জামায়াতের কার্যালয়ে জোটের বৈঠকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ বিভিন্ন দলের নেতারা অংশ নেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

এ বিভাগের আরও খবর

পুনঃপেনশন ও ভাতা বাস্তবায়নের দাবি গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদেরগ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনঃপেনশন ও বিভিন্ন ভাতা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি। এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্টের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়নেরও দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে সমিতির নিউজ লেটার ‘গ্রামীণ অবসর’-এর ৮ম সংখ্যার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব দাবি জানান। সমিতির সভাপতি কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সহ-সভাপতি মো. হাবিবুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। এতে উপদেষ্টা এ কে এম গোলাম মাওলা ও মহাসচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান শুভেচ্ছা ও স্বাগত বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রায় ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবার চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটালেও তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে না। পুনঃপেনশন ও বিভিন্ন ভাতা বাস্তবায়ন না করায় তারা গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, অবসরপ্রাপ্তদের দাবি আদায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। গ্রামীণ ব্যাংকের টালবাহানা আর সহ্য করা হবে না। এ সময় পুনঃপেনশন ও ভাতাদি প্রদানে সরকারের হস্তক্ষেপ এবং সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা। অনুষ্ঠানে আবু নোমান মো. বজলুর রহমান, মো. হায়দার আলী, মো. আবুল খায়ের, আবদুর রশিদ খান, শরীফ মোহাম্মদ, জগদীশ ভঞ্জ, সৈয়দ মো. এনাম উল্লাহ, প্রদীপ্ত শাহীন ও সুভাশিষ ভৌমিকসহ সমিতির সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বক্তব্য দেন। এ ছাড়া নিউজ লেটার ‘গ্রামীণ অবসর’ নিয়মিত প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। তারা নিউজ লেটারটির মানসম্মত প্রকাশনা ও গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলোর প্রশংসা করেন।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়