বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংশোধন হতে হবে: স্পিকার নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, তদন্ত কমিটি গঠন প্রতিমন্ত্রীর প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করা ঠিক নয়,  তবে কাজকে নেগেটিভ বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির অর্থপাচার মামলায় এক দিনের রিমান্ডে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি ব্রাহ্মণবাড়িয়া- কুমিল্লা সীমান্তবর্তী ৫৬টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বেসরকারি বিনিয়োগ ও কৌশলগত সম্পর্ক বাড়ার প্রত্যাশা বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দ্বিতীয় কোনো দেশ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন জামায়াত আমির
Advertise with us

জাবের কার অনুমতি নিয়ে মামলার বাদী হলেন, প্রশ্ন ওসমান হাদির বোনের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১১৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জাবের কার অনুমতি নিয়ে মামলার বাদী হলেন, প্রশ্ন ওসমান হাদির বোনের

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তার বোন মাসুমা হাদি। সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে এবং কার অনুমতি নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এই হত্যা মামলার বাদী হলেন, তা অবিলম্বে পরিষ্কার করতে হবে। শুক্রবার (৫ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে মাসুমা হাদি এসব কথা বলেন।

পোস্ট মাসুমা হাদি লেখেন, “আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি, শুধু আমার ভাইয়ের জন্য।” তবে দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে ‘নোংরামি’ হচ্ছে, তার প্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করছেন বলে জানান।

মাসুমা হাদি উল্লেখ করেন, “ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়েই তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ছুটে যান এবং এক মিনিটের জন্যও ভাইয়ের পাশ থেকে সরেননি। তার প্রশ্ন— ‘প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে স্বাক্ষর (সাইন) নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের স্বাক্ষর দেবে কেন?’ এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাকে বোঝানো হয়েছিল যে, ওমরের (ওসমান হাদির ভাই) কাছে পুলিশ গিয়েছিল এবং ওমর তখন চিকিৎসার ব্যস্ততার কারণে পরে বিষয়টি দেখার কথা বলেছিলেন। মাসুমা হাদি মনে করিয়ে দেন, এ ধরনের ফৌজদারি মামলায় বাদীর স্বাক্ষর আগে-পরে হওয়া নিয়ে কোনও আইনি জটিলতা থাকে না এবং পুলিশ চাইলেই স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারতো।”

তখনকার বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে মাসুমা হাদি লেখেন, “একই রিকশায় দুই ভাই থাকায় ওসমান গণির (হাদি) রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত হয়েছিলেন। বুলেট আর একটা বের হলে ওমরও ওখানেই মারা যেতেন। ওসমান হাদিকে যেদিন সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়, সেই দিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে নিজের পোশাক ও হাতের ঘড়ি থেকে ভাইয়ের রক্তের দাগ পরিষ্কার করেন।”

এসময় তিনি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, “জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তবে কোনও প্রশ্ন ছিল না। কারণ ওসমান গণির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করছে, এমন কোনও লোক নেই যারা জানে না যে ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে আছে। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে, কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদী হলো— এটা পরিষ্কার করতে হবে।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমরের লাইফস্টাইল নিয়ে চলা ট্রলিংয়ের জবাবে মাসুমা হাদি জানান, ওমর হাতে যে ঘড়ি পরেন তা ৫ বছর আগে ১৭ হাজার টাকায় কেনা। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি ৩০ হাজার টাকার ব্লেজার এবং ৭০ হাজার টাকার মোবাইল ব্যবহার করতেন। না বুঝে কাউকে নিয়ে নোংরামি না করার অনুরোধ জানান তিনি।

চিকিৎসার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, “হাসপাতালে অনেকেই দায়িত্ব নিতে চাইলেও পরিবার সায় দেয়নি। সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫২ লাখ টাকা খরচ করে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটেছিলেন। পরে সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে দায়িত্ব নেয় এবং দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে কাগজপত্র পাঠালে তারা তা গ্রহণ করে। এরপরই ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।”

মাসুমা হাদি আক্ষেপ করে বলেন, “একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়! সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?”

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়