মঙ্গলবার ২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ভাটারায় গ‍্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৩ নৈশভোজে মিত্রদের কী বার্তা দিতে চান প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন দূরত্ব ঘোচানোর উদ্যোগ নাকি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ? ১৯ জুলাই : কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি, ইন্টারনেটহীন দেশে রাজপথ পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে ৫ ব্যাংক একীভূতকরণ : সংখ্যাই বলছে সংকট কতটা গভীর কনে নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস খাদে, শিশুসহ নিহত ২ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ অব্যাহত
Advertise with us

বাগেরহাটে মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো কুমির

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাগেরহাটে মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো কুমির

বাগেরহাটের হজরত খান জাহান আলী (রহ.) মাজারসংলগ্ন দিঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটি স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বন বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা কুমিরটি ধরার কার্যক্রম শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিঘির পূর্বপাড়ে কুমিরটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে কুমিরটিকে নিয়ন্ত্রণে এনে দিঘি থেকে তোলা হয়।

পরে বিশেষ ব্যবস্থায় কুমিরটিকে গাড়িতে করে খুলনায় বন বিভাগের বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এর আগে গত সোমবার রাতে কুমিরটির আক্রমণে ফাতেমা নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত ফাতেমা আক্তার মাজারে থাকা এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। পরে জননিরাপত্তার স্বার্থে মঙ্গলবার রাতে জরুরি সভায় জেলা প্রশাসন কুমির স্থানান্তরের এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, ‘জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মাজারের দিঘি থেকে কুমিরটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত প্রাণীটিকে খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে রাখা হবে। পরবর্তী সময়ে কুমিরটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

এর আগে গত ৮ এপ্রিল দিঘির ঘাট থেকে কুমিরটি একটি কুকুরকে টেনে নিয়ে যায়। টেনে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। মাজারের শুরু থেকে কুমির থাকলেও বর্তমানে মাজারে থাকা কুমিরটি খান জাহানের অবমুক্ত করা কুমিরের বংশধর নয়।

জানা যায়, খান জাহান আলী (রহ.) এই দিঘি খনন করে এক জোড়া কুমির ছেড়েছিলেন। পরে সেগুলোর মধ্যে পুরুষটির নাম রাখেন কালাপাহাড় ও স্ত্রী কুমিরটির নাম ধলাপাহাড়। এরপর সেগুলোর বংশধর কুমিরদের মধ্যে পুরুষকে ‘কালাপাহাড়’ আর স্ত্রী কুমিরকে ‘ধলাপাহাড়’ ডাকা হতো। সেগুলোর সর্বশেষ বংশধরের মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

এর আগে ২০০৫ সালে ভারত থেকে কয়েকটি কুমির এনে দিঘিতে ছাড়া হয়। কিন্তু এর কয়েকটি মারা যায়। সর্বশেষ একটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে মারা যায়। এরপর থেকে দিঘিতে একটি কুমিরই ছিল।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়