
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করলেও বাংলাদেশে দেড় মাসের ব্যবধানে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে রোববার (৩১ মে) রাতে জুন মাসের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে গণপরিবহনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস-বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে এ বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়। নতুন দাম সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়।
এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় বাধ্য হয়েই বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম। জ্বালানি তেলের দাম যখন শতভাগ বৃদ্ধি পেয়েছিল তখনও সরকার দাম বাড়ায়নি। একই সঙ্গে বাজেট ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবেই এখন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘আমরা একটি কথা কিন্তু বারবার বলার চেষ্টা করেছি যে, একান্ত যখন উপায়হীন হবে সরকার তখনই এ ধরনের অপ্রিয় কিছু সিদ্ধান্ত হয়তোবা নিতে বাধ্য হবে। তো মিডল ইস্ট ক্রাইসিসের কারণে এ ধরনের বাস্তবতা এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ কথাতো কেউ বলছে না, যখন জ্বালানি তেলের দাম শতভাগ বেড়েছিল তখনও সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।’
যদিও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান মনে করছেন, ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা এবং অন্য জ্বালানি তেলের দাম মাত্র পাঁচ টাকা বাড়ানো অল্প মনে হলেও এর প্রভাব পড়বে সবক্ষেত্রে।
