মঙ্গলবার ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার, মহাসড়কে যানজট বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তে, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি জিয়াউর রহমান হত্যার নতুন তথ্য, পথ দেখাচ্ছে মোজাফফরের ফোন ছাত্রীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে ‘পিংক সাইকেল’ দেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এনেছে: প্রধানমন্ত্রী  শিক্ষাক্ষেত্রে এবারের বাজেটে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে, গ্রেফতার ১ আনসার-ভিডিপিকে দেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বলেন রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: তথ্য উপদেষ্টা হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৬ জনের মৃত্যু
Advertise with us

যশোরে শিবিরের দুই নেতাকে গুলি, সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ০১ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

যশোরে শিবিরের দুই নেতাকে গুলি, সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

যশোরের চৌগাছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধ সাজিয়ে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলি করার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় উদ্বোধনী বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৬ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।সোমবার (১ জুন) এ আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

এর আগে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আসামিপক্ষের আবেদন খারিজ করে ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। ১ জুন প্রসিকিউশনের উদ্বোধনী বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছিল। পরে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন পিছিয়ে ১৬ জুন নতুন দিন নির্ধারণ করা হয়।

আট আসামি হলেন, তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল, তৎকালীন উপপরিদর্শক আতিকুল ইসলাম এবং তৎকালীন কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও জহরুল হক।

এর মধ্যে আতিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান ও জহরুল হক গ্রেপ্তার রয়েছেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান।

দুই নেতা হলেন, যশোর জেলা পশ্চিম চৌগাছা উপজেলার ২০১৬ সালের সাহিত্য সম্পাদক মো. রুহুল আমিন এবং থানা সেক্রেটারি ইস্রাফিল হোসেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট সাংগঠনিক কাজ শেষ করে রুহুল আমিন বাড়ি যাওয়ার পথে বন্দুলীতলা শফি মল্লিকের ইটভাটার মোড় থেকে চৌগাছা থানার একজন এসআই এবং দুইজন এএসআই তাদের গ্রেপ্তার করে চৌগাছা থানায় নিয়ে যায়।

৪ আগস্ট তাদের ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সারাদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর আবার তাদের চৌগাছা থানায় আনা হয়। পথে কয়ারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে তাদের হ্যান্ডকাফ পরানো হয় এবং চোখ বেঁধে ফেলা হয়। গভীর রাতে তাদের বন্দুলীতলার নির্জন মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুজনের হাঁটুর নিচে পুলিশ গুলি চালায়, এতে তাদের পা ঝাঁঝরা হয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাতেই তাদের যশোর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর উন্নতি না হওয়ায় তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভর্তির সাত দিন পর পায়ে পচন ধরলে চিকিৎসক পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন এবং পা কেটে ফেলা হয়। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়, বন্দুকযুদ্ধে দুই শিবির নেতা আহত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা করা হয়। দুই মাস চিকিৎসার পর তাদের যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়