
নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে আঁকা ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি’ সংরক্ষণের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় রংকরণ ও পুনর্লিখন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম উপাচার্যের বাসভবনের প্রধান ফটকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর(শিক্ষা) ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন), অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ঢাবি প্রশাসন এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আঁকা দেয়ালচিত্র ও স্লোগানগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা, শিল্পমান এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্য অক্ষুণ্ন রেখে দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণ করা।তিন দিনব্যাপী এই সংরক্ষণ ও পুনর্লিখন কর্মসূচি ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন (ভিসি চত্বর) থেকে শুরু করে রোকেয়া হল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকার দেয়ালগুলোতে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
আন্দোলন চলাকালীন যেসকল নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ও চারুশিল্পী মূল গ্রাফিতিগুলো এঁকেছিলেন, তাদের সাথে নতুন শৌখিন শিল্পীরাও এই পুনর্লিখন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। পুরো কার্যক্রমটি তদারকি করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন, প্রক্টর এবং আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি।
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন আবাসিক হলে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘জুলাই স্মৃতি কর্নার’ চালু, বিভিন্ন অনুষদ ও হলে সেমিনার, আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা সভা।
