সোমবার ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লক্ষ টাকার অনুদান জামায়াতের উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলনের বিরুপ প্রভাব পড়ছে চুয়েটে বিখ্যাত হয়ে যেন, ‘খ্যাতির বিড়ম্বনায় কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া’ সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব এসেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসির খাতা মূল্যায়ন করা শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ সমাজসেবা অধিদপ্তররে শত্রুর কথাবার্তা যা-ই হোক, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে: ইরান রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে বর্তমানে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চলছে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নবনির্মিত টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু
Advertise with us

টাইফুন ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে চীন ও ভারতে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

টাইফুন ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে চীন ও ভারতে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি

বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন পিছু ছাড়ছে না চীনের। রাজধানী বেইজিং, সাংহাই, ঝেজিয়াং, শ্যানডং, তিয়ানজিনে জারি অরেঞ্জ অ্যালার্ট। দেশের বড় অংশে চলছে তীব্র বৃষ্টি-বন্যা। অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পশ্চিমে নিম্নচাপের প্রভাবে ভারতের কয়েকটি রাজ্য অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টিপাত। অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে হিমাচল-ওড়িশায়। কয়েকদিন টানা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়সহ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে।

ছয় হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পারি দিয়ে অনেকটা শক্তি হারিয়েছে শক্তিশালী টাইফুন, ডলফিন। যদিও এর প্রভাবে বৃষ্টি, বন্যায় বিপর্যস্ত পুরো দেশ চীনে টানা ভারি। বেইজিং ও পার্শ্ববর্তী তিয়ানজিনসহ দুর্যোগের কবলে মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সব প্রদেশ।

বেইজিংয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বন্যা সতর্কতা জারি রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ২৪ ঘণ্টায় দেড়শো মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টির আভাস রাজধানী নগরীতে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ২৩ হাজার কর্মকর্তা।

স্বেচ্ছাসেবকরা বলেন, আমরা মানুষের জন্য এখানে আছি। গ্রাম্য কর্মী হিসেবে আমরা সকলের সেবা করার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করছি।

প্রবল বর্ষণের পাশাপাশি শিলাবৃষ্টি আর বন্যার শঙ্কায় বুধবার সারাদিনই অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি রয়েছে বেইজিং, সাংহাই, ঝেজিয়াং, শ্যানডং, তিয়ানজিনসহ দেশের বড় অংশে।

স্বেচ্ছাসেবকরা আরও জানান,ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছপালা এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্যা। ২৪ ঘণ্টা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বিরামহীন কাজ করতে হচ্ছে।

তিয়ানজিনে জলোচ্ছ্বাস আর আরও দক্ষিণে ঝেংঝৌ বিমানবন্দর অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ হেনান প্রদেশের বিভিন্ন শহরে চলছে বন্যা সতর্কতা। ২৪ ঘণ্টায় ২৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করার পর মঙ্গলবার ইয়েলো থেকে আবহাওয়া সতর্কতা আরও বাড়িয়ে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়। হুবেই প্রদেশে রেল যোগাযোগ ব্যাহত, বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে আনহুই প্রদেশেও।

অন্যদিকে, প্রতিবেশী ভারতেও দাপুটে বর্ষার গতি কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং বঙ্গোপসাগরের উত্তরপশ্চিমে আরেকটি নিম্নচাপ তৈরি হতে থাকায় বুধ ও বৃহস্পতিবার থেকে ভারী বৃষ্টির আভাস ভারতের উত্তর, পূর্ব, মধ্য, পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে।

ভারতের আবহাওয়াবিদ ড. শশীকান্ত মিশ্র বলেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতের আকাশ মেঘে ছেয়ে আছে। বাংলা ও এর আশপাশের এলাকাতেও মেঘ দেখা যাচ্ছে। উত্তর, পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের আশপাশে একটি নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে বলে এ পরিস্থিতি।

বুধবার থেকেই মধ্যাঞ্চলে মধ্য প্রদেশ ও ছত্তিশগড়, আর দক্ষিণের কর্ণাটক-কেরালার উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির আভাস। ওড়িশায় জারি অরেঞ্জ অ্যালার্ট; বৃষ্টি বাড়বে পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম, আসাম, মেঘালয়সহ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতেও। নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী তিন থেকে চারদিন এসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি এবং তারপরেও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে বলে আভাস ভারতের আবহাওয়া বিভাগের।

ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. সোমা সেন রায় বলেন, বঙ্গোপসাগরের উত্তরপশ্চিম ও আশপাশের এলাকায় একটি ঘূর্ণি তৈরি হয়েছে। এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে পানির উচ্চতা সাত দশমিক ছয় কিলোমিটার বেড়েছে। এর প্রভাবে ১২ই আগস্টের মধ্যে এই অঞ্চলে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বৃষ্টিসহ রাজ্যজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস দিল্লি, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব, উত্তরাখন্ড, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও সংলগ্ন এলাকায়। হিমাচল প্রদেশে জারি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবহাওয়া সতর্কতা অরেঞ্জ অ্যালার্ট।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
.
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়