বুধবার ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শুরু ৫৫তম জশনে জুলুস বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি আজ ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মহানবীর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিককে ‘আরও প্রফেশনাল ওয়েতে’ প্রশ্ন করার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান সরকারের ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে, ফ্যামিলি কার্ড পাবে ৪১ লাখ পরিবার সম্পর্ক বজায় রাখতে গেলে পানির গেট খুলে দেয়া যাবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ডে এসিডের ব্যবহার ও ধর্ষনের আলামত পাওয়া যায়নি রোহিঙ্গা পত্যাবাসন নিয়ে সরব দুই দেশ, কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের
Advertise with us

মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক,১৫ দিনে ঝড়ল ২৩ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক,১৫ দিনে ঝড়ল ২৩ প্রাণ

একের পর এক দুর্ঘটনায় রীতিমতো মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। গত ১৫ দিনে মহাসড়কের শুধু সিলেট অংশে ঝরেছে ২৩ প্রাণ। আর ছয় মাসে মারা গেছেন শতাধিক মানুষ। হাইওয়ে পুলিশের মতে, বেহাল সড়ক, বেপরোয়া গতি আর অসাবধানতার কারণেই বাড়ছে দুর্ঘটনা।

গত ২২ আগস্ট ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানী নগরে লরির ধাক্কায় প্রাণ যায় সিএনজি’র ৪ যাত্রীর। এর দিন পনেরো আগে, একই উপজেলায় দুই বাসের সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হন।

নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের তথ্য বলছে, সিলেট অঞ্চলে গত ছয় মাসে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৮৮টি এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪৯ জনের। এগুলোর ৮৫ শতাংশই ঘটেছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। একের পর এক দুর্ঘটনায় অনেকটা মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে মহাসড়কটি।

এই রুটে দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে এক যাত্রী জানান, ঢাকা-সিলেট রাস্তায় কোনো আইল্যান্ড (রোড ডিভাইডার) নাই, যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং সারা জীবনই ঘটবে।

অন্যদিকে, এক চালক জানান, আমাদের বাংলাদেশে এমন এবড়ো-খেবড়ো রাস্তা, কোথাও কোথাও এত বড় (হাত দিয়ে দেখিয়ে) গর্ত হয়ে গেছে। এগুলো কারও নজরে আসে না।

একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক নিয়ে এই মহাসড়কে যাতায়াত করছেন চালক ও যাত্রীরা। হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার কারণে চালকদের মাঝে তীব্র ক্লান্তি দেখা যায়। এতে অতিরিক্ত গতি আর বিপজ্জনক ওভারটেকিং বাড়ছে।

সিলেট অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশের সুপার রেজাউল হক বলেন, ‘তারা (চালকরা) বেপরোয়া গাড়ি চালায়। এটা (দুর্ঘটনার) একটা বড় কারণ। অনেক সময় লম্বা পথে গাড়ি চালালে তাদের ক্লান্তিও আসে। বিশেষ করে রাতের গাড়িগুলো যখন সিলেটের দিকে আসে তখন সকাল হয়। এসময় তন্দ্রাভাব কাজ করে। এগুলো আসলে মূল কারণ বলে আমি মনে করি।’

দুর্ঘটনা রোধে চালকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি, মহাসড়কের ভাঙা অংশ মেরামত এবং থ্রি-হুইলার চলাচল পুরোপুরি বন্ধের জোর দাবি নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের।

নিরাপদ সড়ক চাই’র সিলেট অঞ্চলের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মিশু বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি মহাসড়কে গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য হাইওয়ে পুলিশকে সক্রিয় করার জন্য। স্পিড ক্যামেরা ব্যবহার করে তারা (হাইওয়ে পুলিশ) যদি নিয়মিত মামলা দিত তাহলে তো চালকদের মধ্যে সচেতনতা আসত। আর সব শেষে সচেতনতার বিকল্প নাই। সব ক্ষেত্রেই সচেতন হতে হবে। চালকদেরও হতে হবে, যাত্রীদেরও হতে হবে।’

মহাসড়কে মৃত্যু ঠেকাতে, সরকারের পাশাপাশি চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ চান স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়