
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারের নারীপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি সর্বজনীন কর্মসূচি। এ কার্ড পেতে কাউকে কোনো ধরনের তদবির করতে হবে না। এমনকি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীও পাবেন
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জে আবু সাঈদের কবর জিয়ারত এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এর একটি কর্মসূচি। দেশের প্রতিটি নারীপ্রধানকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। একটি পরিবারও এর বাইরে থাকবে না। পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীপ্রধানদের এই কার্ড দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, উদাহরণ হিসেবে তার স্ত্রী, জেলা প্রশাসক এবং এমপির স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে জানান তিনি।
উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝানো হয়েছে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, অর্থাৎ ফ্যামিলি কার্ড থেকে কেউ বাদ পড়বেন না—এটাই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যেসব আসনে জামায়াতের এমপি, সেখানে সারের কৃত্রিম সংকট
সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, নড়াইল—যে সমস্ত জেলা থেকে বেহেশতিরা টিকিট বিক্রি করে নির্বাচিত হয়েছে, সারের সংকট ঠিক ওই জেলাগুলাতেই কৃত্রিমভাবে দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তাদের দলের রাজনৈতিক কর্মীর দ্বারা হইচই করিয়ে এই কৃত্রিম সারের সংকট তৈরি করা হয়েছে।
চার বছরে ২ কোটি ১০ লাখ কৃষক পাবেন কৃষক কার্ড
ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ড নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডও একটি সর্বজনীন কর্মসূচি। এ কার্ড পেতেও কাউকে তদবির করতে হবে না।
মাঠপর্যায়ে কৃষকদের তালিকাভুক্তির কাজ চলছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশে ২ কোটি ১০ লাখ কৃষক রয়েছেন। আগামী চার বছরের মধ্যে বিএনপি সরকার এসব কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব কৃষকের ৫০ বিঘা বা ১০০ বিঘা জমি রয়েছে, তারাও কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন এবং সরকারের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
ইমাম-মোয়াজ্জিন-খাদেমদের সম্মানী ভাতা
জামায়াতে ইসলামীকে সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সারাদিন ধর্মের কথা বলে এবং ভোটের সময় বেহেশতের লোভ দেখিয়েছিল। কিন্তু মসজিদ ও ইমাম, মোয়াজ্জেন ও খাদেমদের নিয়ে কখনও ভাবেনি। তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি ছিল না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
