
নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বন্ধ কল-কারখানা সচল করে কর্মসংস্থান বাড়াতে কম সুদে ঋণের জন্য বিশেষ একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনের চিন্তা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারের অর্থায়নে নাকি বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে এ তহবিল হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি কাজ করছে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। তহবিল সহায়তা ছাড়াও আরও কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত ১৯ সদস্যের কমিটি একটি প্রতিবেদন দেবে। তবে এই কার্যক্রম যেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় তা বিবেচনায় নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদের নেতৃত্বে গত রোববার গঠিত কমিটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এই কমিটিতে চারজন নির্বাহী পরিচালক, ৬ জন পরিচালক, ৫ জন অতিরিক্ত পরিচালক এবং একজন করে যুগ্ম-পরিচালক, উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালক রয়েছেন। গতকাল এই কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানও তাঁর যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন বৈঠকে বন্ধ কারখানা সচল করার কথা বলে আসছেন। গত শনিবার অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো আবার চালু করতে শিগগিরই প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হবে। তবে বিস্তারিত কিছু তিনি জানাননি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যেসব ভালো শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে তা সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে জাল-জালিয়াতি, অর্থ পাচারসহ বড় অপরাধে জড়িত না এরকম কারখানাকে সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কারখানা সচল করতে কম সুদে তহবিল সহায়তা ছাড়াও অন্য কী ধরনের সুবিধা দেওয়া যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায় থেকে পরামর্শ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত কমিটি। মোটাদাগে তিনটি পরামর্শ পাওয়া গেছে। এগুলো হচ্ছে–ঋণ নিয়মিত করে কারখানা সচলের জন্য ডাউনপেমেন্টের শর্ত শিথিল করা, কারখানা চালুর সঙ্গে সঙ্গে তহবিল সহায়তা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান, প্রয়োজনে কম মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া। কারখানা বন্ধ হওয়ার আগে গ্রাহকের আচরণের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এ সুবিধা দিতে পারবে। এসব পরামর্শ এলেও এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকের অর্থায়নে গড়ে ওঠা বন্ধ কারখানার তালিকা
সংগ্রহ শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, বন্ধ কারখানার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব কারখানা পুনরায় চালুর জন্য কী করা যায় সে বিষয়ে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, পুনঃঅর্থায়ন তহবিল সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করে আসছে আইএমএফ। সংস্থাটির চলমান ঋণ কর্মসূচির অন্যতম একটি শর্ত নতুন করে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা যাবে না। বরং বিদ্যমান তহবিল ধীবন্ধ কারখানা সচল করতে বিশেষ তহবিল হচ্ছে
বন্ধ কল-কারখানা সচল করে কর্মসংস্থান বাড়াতে কম সুদে ঋণের জন্য বিশেষ একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনের চিন্তা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারের অর্থায়নে নাকি বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে এ তহবিল হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি কাজ করছে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। তহবিল সহায়তা ছাড়াও আরও কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত ১৯ সদস্যের কমিটি একটি প্রতিবেদন দেবে। তবে এই কার্যক্রম যেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় তা বিবেচনায় নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদের নেতৃত্বে গত রোববার গঠিত কমিটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এই কমিটিতে চারজন নির্বাহী পরিচালক, ৬ জন পরিচালক, ৫ জন অতিরিক্ত পরিচালক এবং একজন করে যুগ্ম-পরিচালক, উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালক রয়েছেন। গতকাল এই কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানও তাঁর যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন বৈঠকে বন্ধ কারখানা সচল করার কথা বলে আসছেন। গত শনিবার অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো আবার চালু করতে শিগগিরই প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হবে। তবে বিস্তারিত কিছু তিনি জানাননি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যেসব ভালো শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে তা সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে জাল-জালিয়াতি, অর্থ পাচারসহ বড় অপরাধে জড়িত না এরকম কারখানাকে সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কারখানা সচল করতে কম সুদে তহবিল সহায়তা ছাড়াও অন্য কী ধরনের সুবিধা দেওয়া যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায় থেকে পরামর্শ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত কমিটি। মোটাদাগে তিনটি পরামর্শ পাওয়া গেছে। এগুলো হচ্ছে–ঋণ নিয়মিত করে কারখানা সচলের জন্য ডাউনপেমেন্টের শর্ত শিথিল করা, কারখানা চালুর সঙ্গে সঙ্গে তহবিল সহায়তা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান, প্রয়োজনে কম মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া। কারখানা বন্ধ হওয়ার আগে গ্রাহকের আচরণের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এ সুবিধা দিতে পারবে। এসব পরামর্শ এলেও এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকের অর্থায়নে গড়ে ওঠা বন্ধ কারখানার তালিকা
সংগ্রহ শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, বন্ধ কারখানার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব কারখানা পুনরায় চালুর জন্য কী করা যায় সে বিষয়ে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, পুনঃঅর্থায়ন তহবিল সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করে আসছে আইএমএফ। সংস্থাটির চলমান ঋণ কর্মসূচির অন্যতম একটি শর্ত নতুন করে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা যাবে না। বরং বিদ্যমান তহবিল ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। যে কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে গড়ে তোলা রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আকার ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে নামানো হয়েছে। সিএমএসএমই খাতে বিশেষ তহবিল সহায়তার জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিলের আকার কমিয়ে ১৮ হাজার কোটি টাকায় নামানো হয়েছে। ২০২২ সালে গঠিত এ তহবিল থেকে মাত্র ২ শতাংশ সুদে অর্থ নিয়ে ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারে। বর্তমানে বাজার থেকে ঋণ নিতে যেখানে ১৪-১৬ শতাংশ সুদ গুনতে হয়। এছাড়া করোনা অতিমারির প্রভাব শুরুর পর ২০২০ সালে চালু হওয়া শিল্প ও সেবা খাতের ৩৩ হাজার কোটি টাকা এবং সিএমএসএমই খাতের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের মেয়াদ না বাড়িয়ে গুটিয়ে ফেলা হয়। এরকম বাস্তবতায় কোন উপায়ে নতুন তহবিল সুবিধা দেওয়া যায় সে বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়ন সুবিধার মানে বাজারে নতুন তারল্য সৃষ্টি। এ ধরনের কার্যক্রম মূল্যস্ফীতিকে উস্কে দেয়। তাদের ভাষায় এ ধরনের কার্যক্রম ‘কোয়াজি ফিসক্যাল অ্যাক্টিভিটিস’ বা আধা রাজস্ব কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশ এখন এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। এর মধ্যে নতুন তহবিল চালু করলে সম্ভাব্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিষয়টি সরকারকে জানানো হবে। আবার আইএমএফের শর্ত পরিপালন নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংস্থাটির টানাপোড়েন চলছে। আগামী জুনের মধ্যে দুই কিস্তিতে ১৩০ কোটি ডলার ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরকম অবস্থায় নতুন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন না করে বিকল্প কিছু করা যায় কিনা সেটিও পরামর্শ দেওয়া হবে।রে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। যে কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে গড়ে তোলা রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আকার ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে নামানো হয়েছে। সিএমএসএমই খাতে বিশেষ তহবিল সহায়তার জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিলের আকার কমিয়ে ১৮ হাজার কোটি টাকায় নামানো হয়েছে। ২০২২ সালে গঠিত এ তহবিল থেকে মাত্র ২ শতাংশ সুদে অর্থ নিয়ে ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারে। বর্তমানে বাজার থেকে ঋণ নিতে যেখানে ১৪-১৬ শতাংশ সুদ গুনতে হয়। এছাড়া করোনা অতিমারির প্রভাব শুরুর পর ২০২০ সালে চালু হওয়া শিল্প ও সেবা খাতের ৩৩ হাজার কোটি টাকা এবং সিএমএসএমই খাতের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের মেয়াদ না বাড়িয়ে গুটিয়ে ফেলা হয়। এরকম বাস্তবতায় কোন উপায়ে নতুন তহবিল সুবিধা দেওয়া যায় সে বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়ন সুবিধার মানে বাজারে নতুন তারল্য সৃষ্টি। এ ধরনের কার্যক্রম মূল্যস্ফীতিকে উস্কে দেয়। তাদের ভাষায় এ ধরনের কার্যক্রম ‘কোয়াজি ফিসক্যাল অ্যাক্টিভিটিস’ বা আধা রাজস্ব কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশ এখন এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। এর মধ্যে নতুন তহবিল চালু করলে সম্ভাব্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিষয়টি সরকারকে জানানো হবে। আবার আইএমএফের শর্ত পরিপালন নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংস্থাটির টানাপোড়েন চলছে। আগামী জুনের মধ্যে দুই কিস্তিতে ১৩০ কোটি ডলার ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরকম অবস্থায় নতুন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন না করে বিকল্প কিছু করা যায় কিনা সেটিও পরামর্শ দেওয়া হবে।
