রবিবার ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

ইসরায়েলের অস্ত্রঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, এলাকাজুড়ে তীব্র কম্পন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ১৭ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ইসরায়েলের অস্ত্রঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, এলাকাজুড়ে তীব্র কম্পন

ইসরায়েলে একটি সামরিক ঘাঁটিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রবল বিস্ফোরণের শব্দে অধিকৃত এলাকাজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (১৭ মে) প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার রাতে অধিকৃত আল-কুদসের (জেরুজালেম) পশ্চিমে বেইত শেমেশ এলাকায় একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে পুরো অঞ্চল কেঁপে উঠেছে। ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়নে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান টোমের কোম্পানি তাৎক্ষণিক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিস্ফোরণটি আসলে ‘পূর্বপরিকল্পিত একটি পরীক্ষা’ ছিল। এটি পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে।

কান নিউজে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটিকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিশাল এক বিস্ফোরণের পর আকাশে মাশরুম আকৃতির বিশাল ধোঁয়ার মেঘ তৈরি হয়েছে, যা অনেক দূর থেকেও দেখা যাচ্ছিল। দৃশ্যটি কোনো অস্ত্র উন্নয়নকেন্দ্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতির মতো মনে হচ্ছিল।

এই বিস্ফোরণের ব্যাপকতা ইসরায়েলের সামরিক-শিল্প অবকাঠামোর অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকায় এসব স্থাপনার ওপর চাপও ক্রমেই বাড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রপালশন সিস্টেম তৈরির দায়িত্বে থাকা এ ধরনের স্থাপনাগুলো সাধারণত কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে পরিচালিত হয়। কারণ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্সের’ ক্রমাগত চাপ দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় ধরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও পুলিশ নীরব ছিল। পরে টোমের কোম্পানির পক্ষ থেকে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়