বৃহস্পতিবার ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
অর্থবছরে রেমিট্যান্স ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৭.৩ শতাংশ নতুন তিন উপজেলা ও একটি থানা হচ্ছে পূর্বাচলে ৪টি থানা ও ৬টি তদন্তকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত মৃত্যু থেকে ‘আমৃত্যু’ কারাদণ্ড: মামলার ভাগ্য এখন আপিল বিভাগে মানবতাবিরোধী অপরাধ: জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে বৃহৎ পরিসরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ ফয়’স লেকের প্রবেশমুখে গ্যাস পাইপলাইনে আগুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী পণ্য খালাসে জটিলতায় গতি হারাচ্ছে ভোমরা বন্দরের বাণিজ্য
Advertise with us

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছে সরকার

ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি সেসব বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। দেশের সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ ডিপিই বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে নানা অবকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনো পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অতি পুরোনো, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে পড়েছে, এসব ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া কমিটি কর্তৃক অকেজো ঘোষিত ভবনও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয়ে আলাদা টিনশেড ঘর বা অস্থায়ী টিনশেড কক্ষ রয়েছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের জেলা ভিত্তিক তথ্য জরুরিভিত্তিতে পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মের তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়