সোমবার ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

রামিসা হত্যা মামলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ২৪ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রামিসা হত্যা মামলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) বিকেলে মামলাটি বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক মামলাটি বদলির আদেশ দেন।

এর আগে একই আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান।

এতে সোহেল রানার বিরুদ্ধে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে এ অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিন সকালে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার সময় ঘর থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে ভিক্টিমকে তার ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়।

সকাল সাড়ে ১০টায় বাদী মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে বাদী তার মেয়ের জুতা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাদী তার স্ত্রী ও অন্য ফ্ল্যাটের লোকজনকে নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে ভিকটিম রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পান। আর মাথা রুমের ভেতর একটি রঙের বালতির ভেতর দেখতে পান।

এসময় আসামি স্বপ্নাকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার স্বামী সোহেল রানা ওই শিশুকে বাথরুমে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে। লাশ গুম করার উদ্দেশে স্বপ্নার সহায়তায় সোহেল ভিকটিমের মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ও যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধবিচ্ছিন্ন করে লাশ বাথরুম থেকে আসামিদের শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে।

পরে ওই রুমের জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

রামিসার বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া বাসায় থেকে বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন। আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার একই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে থাকতেন। ভিক্টিম রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়