
নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট | ৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সংস্থাটির চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তাঁরা। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। বিএসইসির যে চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন তাঁরা হলেন—মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।
জানা গেছে, আজই নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হবে, সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে একটি বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তার নাম আলোচনায় আছে। এ ছাড়া কমিশনার হিসেবে একজন সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদ, আইনজীবী, ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধি থাকতে পারেন।
পদত্যাগের পর রাশেদ মাকসুদ যা বললেন
পদত্যাগের বিষয়ে খন্দকার রাশেদ মাকসুদের একটি বার্তা প্রেস বিজ্ঞপ্তি হিসেবে বিএসইসির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে তিনি পদত্যাগের কারণ ও চেয়ারম্যান হিসেবে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেসব বিষয় তুলে ধরেছেন।
রাশেদ মাকসুদ বলেন, ২১ মাস আগে অস্থির সময়ে নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আইনি কাঠামো ও বাজার শৃঙ্খলা সংস্কারে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
এই অল্প সময়ের মধ্যেই বিএসইসি পাঁচটি বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করে। পাশাপাশি সম্প্রতি করপোরেট গভর্ন্যান্স, নিরীক্ষা ও করপোরেট পুনর্গঠন-সংক্রান্ত তিনটি খসড়া বিধিমালা/নির্দেশিকা জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ও ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড—এই দুটি আইনের খসড়াও প্রস্তুত করেছে বিএসইসি।
রাশেদ মাকসুদ আরও বলেন, বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিধিবিধান প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সব ধরনের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের সুযোগ দূর করে বাজার, মধ্যস্থতাকারী ও ইস্যুকারীদের নিয়মের মধ্যে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে।
