মঙ্গলবার ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
ব্যাংকিং খাতের মতো বীমা খাতেও অনিয়ম-লুটপাট হয়েছে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘বৈদ্যুতিক ট্রেন’ চালুর ঘোষণা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পরও সরকারি দায়িত্ব পালন করেন ইউএনও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ড্রোনের মাধ্যমেও ইয়াবা ঢুকছে বাংলাদেশে ‘লেডি মীর জাফর’ উল্লেখ করে ফেসবুকে পোস্ট ডিএজির: হাইকোর্টে নালিশ রুমিন ফারহানার আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত, আমাদের গলায় শক্তি বেশি: জি কে গউস শ্যামলীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট করা হবে: ববি হাজ্জাজ ১২ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রেনের ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধর অর্ধগলিত নারীর লাশ উদ্ধার, প্রেমিকাকে দ্বিখণ্ডিত করেন প্রেমিক ও তার মা
Advertise with us

ককরোচের আন্দোলনে গিয়ে বউ নিয়ে ফিরলেন তরুণ!

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ককরোচের আন্দোলনে গিয়ে বউ নিয়ে ফিরলেন তরুণ!

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে গিয়েছিলেন বিহারের এক তরুণ। তবে আন্দোলন শেষে তিনি একা ফেরেননি, সঙ্গে বউ নিয়ে ফিরেছেন। মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই জীবনে এমন নাটকীয় পরিবর্তনের গল্প ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল চর্চা চলছে। ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন ওই তরুণ। তিনি নিজের নাম মোহন শ্রীবাস্তব বলে পরিচয় দেন।

মোহনের দাবি, আন্দোলনের সময় তিনি টানা ১৫ দিন যন্তর মন্তরে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় খাবারের অভাব ছিল। বর্তমানে তার স্ত্রী, যিনি তখন আন্দোলনস্থলে নিয়মিত আসতেন, প্রতিদিন তার জন্য কখনও ছানা, কখনও পানিফলসহ নানা ধরনের খাবার ও পানি নিয়ে আসতেন।

খাবার দেওয়া থেকেই দুজনের পরিচয়। মোহনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ জুলাই আন্দোলনে পুলিশি লাঠিচার্জের সময় তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। ওই তরুণীই তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। জ্ঞান ফেরার পর তরুণী তাকে ভালোবাসার কথা জানান। এরপর দুজন মন্দিরে বিয়ে করে একসঙ্গে বিহারে ফিরে যান।

মোহন আরও দাবি করেন, তার মা প্রথমে এই বিয়েতে সম্মতি দেননি।

ভাইরাল ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন রাহুল কুমার নামে এক নেটপ্রভাবী। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘দিল্লির যন্তর মন্তরে কী যে হলো! আমি প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলাম, বিয়ে করে ফিরে এলাম।’

ভিডিওটি প্রকাশের পর তা ব্যাপক সাড়া ফেলে। ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি তিন কোটির কাছাকাছি মানুষ দেখেছেন এবং ১০ লাখ ৫০ হাজারের বেশি লাইক দিয়েছেন।

মন্তব্যের ঘরেও ছিল মজার প্রতিক্রিয়ার বন্যা। একজন লিখেছেন, ‘এটা যন্তর মন্তর নয়, এটা শাদি মন্তর।’ তবে ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। অনেক নেটিজেনের দাবি, পুরো ঘটনাটি সাজানো এবং শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি।

একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানেও দাবি করা হয়, ভিউ ও লাইক পাওয়ার জন্য নেটপ্রভাবী এই ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওতে দেখানো ঘটনাটি বাস্তবে ঘটেনি। সূত্র: আনন্দবাজার

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

এ বিভাগের আরও খবর

পুনঃপেনশন ও ভাতা বাস্তবায়নের দাবি গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদেরগ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনঃপেনশন ও বিভিন্ন ভাতা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি। এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্টের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়নেরও দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে সমিতির নিউজ লেটার ‘গ্রামীণ অবসর’-এর ৮ম সংখ্যার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব দাবি জানান। সমিতির সভাপতি কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সহ-সভাপতি মো. হাবিবুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। এতে উপদেষ্টা এ কে এম গোলাম মাওলা ও মহাসচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান শুভেচ্ছা ও স্বাগত বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রায় ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবার চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটালেও তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে না। পুনঃপেনশন ও বিভিন্ন ভাতা বাস্তবায়ন না করায় তারা গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, অবসরপ্রাপ্তদের দাবি আদায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। গ্রামীণ ব্যাংকের টালবাহানা আর সহ্য করা হবে না। এ সময় পুনঃপেনশন ও ভাতাদি প্রদানে সরকারের হস্তক্ষেপ এবং সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা। অনুষ্ঠানে আবু নোমান মো. বজলুর রহমান, মো. হায়দার আলী, মো. আবুল খায়ের, আবদুর রশিদ খান, শরীফ মোহাম্মদ, জগদীশ ভঞ্জ, সৈয়দ মো. এনাম উল্লাহ, প্রদীপ্ত শাহীন ও সুভাশিষ ভৌমিকসহ সমিতির সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বক্তব্য দেন। এ ছাড়া নিউজ লেটার ‘গ্রামীণ অবসর’ নিয়মিত প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। তারা নিউজ লেটারটির মানসম্মত প্রকাশনা ও গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলোর প্রশংসা করেন।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়