মঙ্গলবার ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
চলচ্চিত্রকে আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করা মিষ্টির আসনে উপনির্বাচন হবে ১২ নভেম্বর শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ককরোচ পার্টির সরকারি নির্দেশনায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্র ছাড়ছেন পর্যটকেরা দুর্গাপূজাকে ঘিরে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার বিধবা কার্ড দেওয়া হলেও এমপির বউ সবার আগে পাবে: হাসনাত ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিতের চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী ষাটের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই সাতক্ষীরায় ট্রাকের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষিকা নিহত সৌদি আরবের পাশে থাকবে ঢাকা জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ
Advertise with us

রোহিঙ্গা পত্যাবাসন নিয়ে সরব দুই দেশ, কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রোহিঙ্গা পত্যাবাসন নিয়ে সরব দুই দেশ, কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

২০১৭ সালের পর অনেকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কূটনৈতিকভাবে আসেনি সমাধান, ফেরেনি একজন রোহিঙ্গাও। বছরে পর বছর রাখাইনে সংঘাত আর কূটনৈতিক জটিলতায় রীতিমতো অচলাবস্থায় এই আলোচনা। তবে, সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ এই সংকট নিয়ে সরব দুই দেশই। এ অবস্থায় বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে যুক্ত করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার কঠোর অবস্থান প্রকাশের এটাই যথাযথ সময় বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের পর বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। আগের দফার আশ্রিতদের মিলে কক্সবাজারে তৈরি হয় বিশ্বের অন্যতম বড় আশ্রয় শিবির। আর এক দশকে শরণার্থী সংখ্যা এখন প্রায় তেরো লাখ।

সংকট শুরুর পরপরই প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানায় বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে প্রথম দফায় উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। পরের বছর ব্যর্থ হয় দ্বিতীয় দফার প্রচেষ্টা।

এরপর মিয়ানমারের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ২০২১ সালের অভ্যুত্থান আরও জটিল করে পরিস্থিতিকে।

এখন বাস্তবতা আরও কঠিন। রাজ্যের অর্ধেক দখল আরাকান আর্মির হাতে। মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোচনার প্রতিপক্ষ এই সামরিক বাহিনী।

বাস্তবতা মেনে কৌশল বদলেছে ঢাকাও। গেল মাসে সরকার থেকে জানানো হয়, মিয়ানমারের সরকার ছাড়া সব পক্ষের সাথে আলোচনায় আন্তর্জাতিক মহলের সাহায্য চাওয়া হচ্ছে। রাখাইনে নিরাপদ পরিবেশ না হলে দীর্ঘমেয়াদী হবে না প্রত্যাবাসন। আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এটাই মোক্ষম সময়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সাহাব এনাম খান বলেন, ‘আমি আশাবাদী, আমি অনেকটাই আশাবাদী কারণ মায়ানমারেও একটা বড় রকমের পরিবর্তন হচ্ছে। এখন এ পরিবর্তনকে ধরার জন্য যেই ধরনের কূটনৈতিক ইনস্টিটিউশন, সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশন, ডিফেন্স ইনস্টিটিউশনের ইনভলভমেন্ট লাগবে, সেটা যদি নিশ্চিত করা যায়, আমি মনে করি যে কিছু হলেও রিপ্যাট্রিয়েশনের দিকে আমরা আগাবো।’

তবে, কূটনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকার সবচেয়ে বড় বাঁধা রোহিঙ্গার সংখ্যা নিয়ে দেশটির অবস্থান। ইউএনএইচসিআর নিবন্ধিত রোহিঙ্গা সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন। গেল ১৫ আগস্টের বিবৃতিতে এই সংখ্যাকে প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার সরকার। জবাবে, আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রমাণের সাথে কড়া জবাব দেয়ার কথা বলছে বাংলাদেশ।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ এককভাবে এই ডেটা প্রসেসও করছে না, ভেরিফাইও করছে না। এটা বাংলাদেশের একক কোনো এক্সারসাইজ না। ইউএনএইচসিআর, যারা রিফিউজি অর্গানাইজেশন হিসেবে ইউএনের ম্যান্ডেটেড অর্গানাইজেশন, সারা পৃথিবীতে তারা ডেটা প্রটেকশন নিয়ে কাজ করে, রিফিউজিদের ডেটা প্রটেকশন নিয়ে কাজ করে এবং ডেটা প্রিজার্ভ করে, ডেটাগুলো তারা সংগ্রহ করে। তো সুতরাং তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ এই ডেটাগুলো তৈরি করছে। এখানে বিতর্ক করার কোনো কিছু নেই।’

তবে, রাজনৈতিক সংকটকে রাজনৈতিক আলোচনায় সমাধানের কথা বলছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সম্প্রতি বনানীতে রোহিঙ্গা বিষয়ক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন, পরারাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বলেন, ভূমিকা রাখা দেশ, সংগঠন ও সকল সংস্থাকে নিয়ে সংকট সমাধানে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ সরকার।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়