বৃহস্পতিবার ১৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ,নেই যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ,নেই যানজট

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লেও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এখনো বড় কোনো যানজটের দেখা মেলেনি। বুধবার (১৭ মার্চ) মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কড্ডার মোড়, নলকার মোড় ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, যানবাহনের চাপ সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে দ্বিগুণের মতো বেড়েছে। এখন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে কোথাও যানজট সৃষ্টি হয়নি। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির চাপ বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নলকার মোড় এলাকায় কথা হয় ঢাকা ফেরত ব্যবসায়ী সেলিম খানের সাথে। তিনি বলেন, ঈদে বাড়ি ফিরলাম মনে হলো না। আমাদের বাস যানজটের মধ্যে পড়েনি।

সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের বাস ড্রাইভার শওকত আহমেদ বলেন, কাল সব ছুটি হয়েছে। ব্যাপক যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তবে যানজট নেই।

ঈদের আগে ১৬ মার্চ ছিল শেষ কর্মদিবস। বিকেলের পর থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে যমুনা সেতু ও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে। সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যাও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৬ মার্চ) সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। এর আগের দিন রোববার (১৫ মার্চ) পারাপার হয়েছিল ২৫ হাজার ৪৪০টি যানবাহন। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ১০ হাজার ২১৮টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও দ্রুত টোল আদায় ও ব্যবস্থাপনার কারণে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে। ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দ্রুত সরাতে অতিরিক্ত রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজও এবার স্বস্তি দিচ্ছে। চার লেন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১৩টি আন্ডারপাস চালু করা হয়েছে, যা স্থানীয় যানবাহনের চাপ কমাতে সহায়তা করছে। হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় কাজ চলমান থাকলেও যান চলাচলে বড় কোনো বিঘ্ন দেখা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই মহাসড়ক ও যমুনা সেতু। বিকল্প সড়ক না থাকায় প্রতি ঈদেই এখানে চাপ বাড়ে। তবে এবার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে এখন পর্যন্ত স্বস্তির ঈদযাত্রার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেতুর দুই প্রান্তে স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, দীর্ঘ সময়ের ছুটি৷ যানবাহনের চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। জেলা পুলিশের সাথে সমন্বয় করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়