শনিবার ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
বৃষ্টিস্নাত কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলায় কোস্ট গার্ড স্টেশনে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুর, আহত বেশ কয়েকজন সদস্য উপকূলীয় সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে আহত,গ্রেপ্তার ২ মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট নিয়ে আজ সংসদে যাচ্ছে তারেক রহমানের সরকার ৫৪ বছরে বাজেটের মঞ্চে অর্থমন্ত্রীদের আলোচিত যত বক্তব্য বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন হবে : প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির ঘটনা সশস্ত্র বাহিনীর ওপর বড় আঘাত ছিল: প্রধানমন্ত্রী জর্ডানের ঘাঁটিতে মিসাইল আঘাত হানার দাবি ইরানের
Advertise with us

রামেক হাসপাতালে সাড়ে ৬ মাস ধরে বন্ধ জলাতঙ্ক টিকা সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৮২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রামেক হাসপাতালে সাড়ে ৬ মাস ধরে বন্ধ জলাতঙ্ক টিকা সরবরাহ

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সাড়ে ছয় মাস ধরে বন্ধ রয়েছে সরকারিভাবে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ। এ সময়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব উদ্যোগে সংগ্রহ করে রোগীদের টিকা দিয়েছে। তবে কিছুদিন ধরে সেটিও বন্ধ আছে। ফলে চিকিৎসা প্রত্যাশীরা হাসপাতালে এসে ফিরে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ২৭০ থেকে ২৮০ জন রোগী জলাতঙ্কের টিকা নেন। সে হিসাবে রোগীদের জন্য প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার টিকা প্রয়োজন হয়। বর্তমানে টিকা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে রোগীরা।

রামেক হাসপাতালে এসে জলাতঙ্কের টিকা না পেয়ে রোগীর স্বজন রাশেদ রিপন বলেন, ‘হাসপাতালে গিয়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন পাইনি। আমাদের মতো অনেকে ফিরে গেছেন। পরে নগরীর লক্ষ্মীপুরে কয়েকটি ফার্মেসিতে পাওয়া যাচ্ছে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন। একেকটির দাম ধরা হচ্ছে ৪৮০ টাকা। এটা ভাগাভাগি করে দেওয়া যাবে। সেখানে খরচ কম হবে। কিন্তু আমরা কেন ভ্যাকসিন কিনবো। এটা তো সরকারিভাবে হাসপাতালে সরবরাহ করার কথা। অনেকে ফ্রি ভ্যাকসিন নিতে এসে দেখছেন ভ্যাকসিন নেই। পরে তারা বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনে নিচ্ছেন।’

সঞ্জয় রায় নামে এক রোগী বলেন, ‘আমাকে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছিলাম, কিন্তু ডাক্তার বলেছে, দ্রুত জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। হাসপাতালে এসে দেখি ভ্যাকসিনই নেই। এখন খুব ভয় লাগছে-এই রোগ হলে তো বাঁচার উপায় নেই।’

বাঁধন হোসেন নামে আরেক রোগী বলেন, ‘হাসপাতালে এসে জানতে পারলাম জলাতঙ্কের কোনও ভ্যাকসিন নেই। এটা খুবই দুঃখজনক। একটা প্রাণঘাতী রোগের ভ্যাকসিন যদি হাসপাতালে না থাকে, তাহলে আমরা কোথায় যাবো? বাধ্য হয়ে বাইরে খুঁজতে হচ্ছে, কিন্তু সব জায়গায় পাচ্ছিও না, একটা দোকানে পেলাম।’

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘সাড়ে ছয় মাস ধরে সরকারিভাবে একেবারে সরবরাহ নেই। এর মধ্যে আমরা স্থানীয়ভাবে কিনে বিনামূল্যে রোগীদের সরবরাহ করেছি। তবে কিছুদিন থেকে সেটাও দিতে পারেনি। তবে আগামী দুই-তিনের মধ্যে স্থানীয়ভাবে ফান্ড সংগ্রহ করে রোগীদের বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করবো। এ নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’

তিনি জানান, রোগীদের ভালো সেবা দেওয়ার জন্য তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারিভাবে টিকা আসলে আরও ভালোভাবে সরবরাহ করতে পারবেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়