
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী সুলতানা জেসমিন জুঁই। ইতোমধ্যে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এই মনোনয়ন নিয়ে স্বতন্ত্র জোটের সদস্যদের মধ্যে অভ্যন্তরে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, চলতি সংসদে নির্বাচিত সাতজন স্বতন্ত্র সদস্য মিলে একটি জোট গঠন করে।
তাদের মধ্য থেকে ছয়জন সদস্যের লিখিত চিঠিতে সংরক্ষিত নারী আসনে সুলতানা জেসমিনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে অজ্ঞাত কারণে একমাত্র নারী স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার নাম বাদ দেওয়া হয়। বাকি ছয়জন স্বতন্ত্র সদস্যের মধ্যে তিনজন ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন এবং বাকি তিনজনের স্বাক্ষর করেননি। তিনজন মনোনীত প্রার্থীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তাদের কেউ কেউ ওই ছাত্রদল নেত্রীর অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন। ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি এই মনোনয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে নেই।’
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, স্বতন্ত্র জোটের পক্ষ থেকে আজ মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সুলতানা জেসমিন। জোটের পক্ষে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমর তার মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী সুলতানা জেসমিন জুঁই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহসভাপতি। তিনি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের বুইচাকাঠী গ্রামের আব্দুল আজিজ হাওলাদারের মেয়ে।
উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা শেষ হয়েছে। জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। এরপর ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।
