নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ০৯ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১০১ ওভারে ৩৫৪/৬ (মুশফিক ৬২*, তাইজুল ০*; মাহমুদুল ৮, সাদমান ১৩, শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, লিটন ৩৩, মিরাজ ১০)
লিটন আউট হওয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ১০০.৩ ওভারে সেই আব্বাসের বলে আলগা শটে ক্যাচ তুলে ফিরেছেন। অবশ্য তার আগের শর্ট বলে ছক্কাও মেরেছেন তিনি। মিরাজ শেষ পর্যন্ত ১২ বলে ১০ রানে ফিরেছেন।
লিটনের বিদায়ে ভাঙলো ৬২ রানের জুটি
বড় পুঁজির লক্ষ্যে ঘণ্টাখানেক ভালোই প্রতিরোধ গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। মুশফিকুর রহিম সতর্ক থেকে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। তবে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন লিটন। ৯৬.৪ ওভারে আব্বাসের বলে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই ৩৩ রানে ক্যাচ আউট হয়েছেন তিনি। লিটনের বিদায়ে ভেঙেছে ৬২ রানের জুটি।
মুশফিকের ফিফটি
বড় পুঁজির লক্ষ্যে দ্বিতীয় সকালে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ফিফটির অপেক্ষায় ছিলেন। নিজের জন্মদিনে সেটা রাঙানোর ভালো উপলক্ষও পেয়ে গেছেন তিনি। দিনের চতুর্থ ওভারে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটির দেখা পেয়েছেন। তবে শুরু থেকে সতর্ক ভঙ্গিতে খেলছিলেন। লিটন তুলনায় ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। ৮৭তম ওভারে শাহীন আফ্রিদির বলে টানা তিনটি চার মারেন তিনি।
বড় পুঁজির লক্ষ্যে দ্বিতীয় দিন শুরু বাংলাদেশের
মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও মুমিনুল হকের ফিফটিতে তারা প্রথম দিন শেষ করেছে ৪ উইকেটে ৩০১ রানে। আজ দ্বিতীয় দিন লক্ষ্য প্রথম ঘণ্টা নির্বিঘ্নে কাটিয়ে স্কোরবোর্ডটাকে ৪০০-৫০০ রানে নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস।
গতকাল টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানি পেসারদের সুইং ও বাউন্সে চাপে পড়ে যান দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম। ৩১ রানের মধ্যে ফিরে যান দুইজন। পাকিস্তানের পেসাররা প্রথম ১০ ওভারেই যা কিছুটা সহায়তা পেয়েছে। তার পর ছিল নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের আধিপত্য। দলকে টেনে তুলে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন তারা। ধীরস্থির ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তৃতীয় উইকেটে গড়ে তোলেন ১৭০ রানের রেকর্ড জুটি। পুরো দ্বিতীয় সেশনেই দাপট দেখান দুজন। কিন্তু দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে আব্বাসের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে চায়ের বিরতিতে যাওয়ার শেষ ওভারেই শান্ত সাজঘরে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর মুমিনুল ও মুশফিকুর রহিম এগিয়ে নিয়ে যান বাংলাদেশের ইনিংস।
মুমিনুল ও মুশফিক মিলে যোগ করেন আরও ৭৫ রান। মুমিনুল সেঞ্চুরির আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত নোমান আলীর বলে ৯১ রানে আউট হয়েছেন। তার পর বাকি পথটা সামাল দেন মুশফিকুর রহিম। তিনি অপরাজিত আছেন ৪৮ রানে আর লিটন দাস খেলছেন ৮ রানে।
পাকিস্তানের পাঁচ বোলারের মধ্যে সালমান আগা ছাড়া শাহীন আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাস, হাসান আলী ও নোমান আলী একটি করে উইকেট নিয়েছেন।