
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে গিয়েছিলেন বিহারের এক তরুণ। তবে আন্দোলন শেষে তিনি একা ফেরেননি, সঙ্গে বউ নিয়ে ফিরেছেন। মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই জীবনে এমন নাটকীয় পরিবর্তনের গল্প ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল চর্চা চলছে। ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন ওই তরুণ। তিনি নিজের নাম মোহন শ্রীবাস্তব বলে পরিচয় দেন।
মোহনের দাবি, আন্দোলনের সময় তিনি টানা ১৫ দিন যন্তর মন্তরে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় খাবারের অভাব ছিল। বর্তমানে তার স্ত্রী, যিনি তখন আন্দোলনস্থলে নিয়মিত আসতেন, প্রতিদিন তার জন্য কখনও ছানা, কখনও পানিফলসহ নানা ধরনের খাবার ও পানি নিয়ে আসতেন।
খাবার দেওয়া থেকেই দুজনের পরিচয়। মোহনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০ জুলাই আন্দোলনে পুলিশি লাঠিচার্জের সময় তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। ওই তরুণীই তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। জ্ঞান ফেরার পর তরুণী তাকে ভালোবাসার কথা জানান। এরপর দুজন মন্দিরে বিয়ে করে একসঙ্গে বিহারে ফিরে যান।
মোহন আরও দাবি করেন, তার মা প্রথমে এই বিয়েতে সম্মতি দেননি।
ভাইরাল ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন রাহুল কুমার নামে এক নেটপ্রভাবী। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘দিল্লির যন্তর মন্তরে কী যে হলো! আমি প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলাম, বিয়ে করে ফিরে এলাম।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর তা ব্যাপক সাড়া ফেলে। ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি তিন কোটির কাছাকাছি মানুষ দেখেছেন এবং ১০ লাখ ৫০ হাজারের বেশি লাইক দিয়েছেন।
মন্তব্যের ঘরেও ছিল মজার প্রতিক্রিয়ার বন্যা। একজন লিখেছেন, ‘এটা যন্তর মন্তর নয়, এটা শাদি মন্তর।’ তবে ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। অনেক নেটিজেনের দাবি, পুরো ঘটনাটি সাজানো এবং শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি।
একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানেও দাবি করা হয়, ভিউ ও লাইক পাওয়ার জন্য নেটপ্রভাবী এই ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওতে দেখানো ঘটনাটি বাস্তবে ঘটেনি। সূত্র: আনন্দবাজার
