বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ট্রা‌ম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর মাইলস্টোন শিক্ষার্থীকে ডেকে ড্রোন সেট ও বল উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী দুই দশকে সুন্দরবনে ৬২ বাঘের মৃত্যু,নিরাপত্তা নিশ্চিতে বন বিভাগের উদ্যোগ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সহসাই কাটছে না দেশের গ্যাস সংকট তারেক রহমান-আনোয়ার ইব্রাহিম ফোনালাপ: গ্যাসসংকট নিরসনে সহায়তার আশ্বাস বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ রাবিতে পাল্টাপাল্টি মারধরের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হেপাটাইটিসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
Advertise with us

জুলাই শহীদদের স্বজনের সঙ্গে মতবিনিময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জুলাই শহীদদের স্বজনের সঙ্গে মতবিনিময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে মতবিনিময় করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এ সময় তিনি স্বজনহারা পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন সংকটের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং জেলা প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকার ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের সদস্যদের উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়।

সভায় জেলা প্রশাসক প্রতিটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। স্বজন হারানোর পর তাদের সংসার কীভাবে চলছে, সন্তানদের পড়াশোনা, আর্থিক অবস্থা, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন। এবং কোনো সমস্যায় পড়লে সরাসরি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিকাংশ পরিবার উপস্থিত হলেও জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম এবং দেশের দ্বিতীয় শহীদ হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামের বোন সাবরিনা ইয়াসমিন সোমা প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছান। ততক্ষণে মূল অনুষ্ঠান শেষ হলেও জেলা প্রশাসক কার্যালয় ত্যাগ না করে তার জন্য অপেক্ষা করেন।

সাবরিনা ইয়াসমিন সোমা বলেন, তিনি নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক তার জন্য অপেক্ষা করেছেন। পরে তার সঙ্গে কথা বলে পরিবারের সবার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

সাক্ষাত অনুষ্ঠানে শহীদ আলমের স্ত্রী নয়ন বেগম, শহীদ ইউসুফের স্ত্রী সাজেদা আক্তার, শহীদ ইশমামুল হকের ভাই মুহিবুল হক, শহীদ শহীদুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম, শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তার, শহীদ মাহামদুর রহমান সৈকতের চাচা আমজাদ হোসেন, শহীদ জামালের স্ত্রী তসলিমা বেগম এবং শহীদ মাহিনের মা রহিমাসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

তারা আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা, সন্তানদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার কথা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

শহীদ ইশমামুল হকের ভাই মুহিবুল হক বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা প্রাণ খুলে ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি। নিরাপত্তাহীনতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

চকবাজার-বাকলিয়া এলাকার শহীদ শহীদুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমও পরিবারের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক তাদের সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ছাড়া মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তার, শহীদ মাহামদুর রহমান সৈকতের চাচা আমজাদ হোসেন, শহীদ জামালের স্ত্রী তসলিমা বেগম এবং শহীদ মাহিনের মা রহিমা। তারা পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা, নিরাপত্তা, সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার কথা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জুলাই শহীদদের পরিবারের সদস্যরা কোনোভাবেই একা নন। জেলা প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে। যেকোনো সমস্যা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে তারা যেন সরাসরি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়