শুক্রবার ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
বন্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বাংলাদেশের নেপাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ হুইল চেয়ারে করে অধিবেশনে মির্জা আব্বাস, স্বাগতম জানিয়েছেন স্পিকার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুদকের চিঠি আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের তথ্য চেয়ে বীমা খাতে গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ১৪ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ করলো আইডিআরএ হয়রানি ও মিথ্যা মামলা বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ঝিনাইদহে সাড়ে তিন লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় ওষুধসহ দম্পতি গ্রেপ্তার রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার প্রকল্পে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করছে আইএসডিবি মির্জা আব্বাস প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে নিজ অফিসে ২০২৭ সালে ৮ থেকে ১৭ জানুয়ারি দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কওমি-হিফজ শিক্ষার সঙ্গে সরকারের যে কমিটমেন্ট ছিল, তা রাখা হয়নি: জামায়াত আমির
Advertise with us

শত শত শ্রমিকের সমাধিতে পরিণত হতে যাচ্ছে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ গুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

শত শত শ্রমিকের সমাধিতে পরিণত হতে যাচ্ছে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ গুলো

শত শত শ্রমিকের সমাধিতে পরিণত হতে যাচ্ছে নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ। সেনাবাহিনীর থার্মাল ড্রোনের ভিডিওতে নজরে আসছে না প্রাণের অস্তিত্ব। কোনো কোনো সুড়ঙ্গের ৯০ শতাংশ কাদাপানিতে পূর্ণ। এখন, শেষ ভরসা, চীনের বিশেষায়িত টানেল রেসকিউ টিম। যদিও সামনে ভৌগোলিক দুর্গমতার চ্যালেঞ্জ, নেই সুড়ঙ্গের কারিগরি নকশা।

নেপালের রাসুয়া জেলায় বন্যার পানিতে প্লাবিত একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুরঙ্গের বাইরের দৃশ্য এটি। অভিযানে নেমেছে চীনের বিশেষায়িত টানেল রেসকিউ টিম। ভেতরে পাঠানো হচ্ছে থার্মাল ড্রোন। প্রাণের অস্তিত্ব মিললে ধরা পড়বে স্ক্যানারে। পাশাপাশি ছোট ছোট টিউবে করে সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রবেশ করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। পানিতে বিপুল পরিমাণ কাদা মিশে থাকায় সহজে ঢোকা যাচ্ছে না ভেতর পর্যন্ত।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ধসে পর রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার অন্তত ১২টি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গে আটকা পড়েন শত শত শ্রমিক। এই সুড়ঙ্গগুলোই এখন জীবন্ত মৃত্যুকূপ। যা পরিণত হতে পারে শ্রমিকদের সমাধিতে। রাসুয়াগাধি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে একটি অভিযান শেষে নেপালি ড্রোন অপারেটর এবং আরোহী মনীশ মহারজান জানালেন, অধিকাংশ সুড়ঙ্গের ভেতরে যে পরিমাণে কাদা জমেছে তাতে শ্রমিকদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

এই সুড়ঙ্গে আর কোনো মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা দেখছি না। টানেলের ভেতরে একটা বড় ঘর আছে, সেখানে পাওয়ার স্টেশন, ঐ কক্ষের প্রায় ৯০ শতাংশ কাদাপানিতে পূর্ণ। আমরা কোনো জীবনের অস্তিত্ব পাইনি।

ভিনদেশি কোনো দলকে সাধারণ উদ্ধার অভিযানে নামতে দেয়নি নেপাল সরকার। ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিকের জন্য সাহায্য নেয়া হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞদের। শুধুমাত্র, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গগুলোতে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে আনা হয়েছে ভারত ও চীনের বিশেষায়িত টানেল রেসকিউ টিম। যাদের ওপর নির্ভর করছে শতশত শ্রমিকের বেঁচে ফেরার নূন্যতম সম্ভাবনা।

এই মুহূর্তে নেপালে যে সব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চলছে এরমধ্যে গুরুত্বের বিচারে সবার ওপরে এইসব জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুরঙ্গ। ব্রিজ-কালভার্ট-সড়ক ধসে যাওয়ায় ছোট নৌকা, হেলিকপ্টার এমনকি পাহাড় বেয়েও যেতে হচ্ছে স্পটে। বন্ধ সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ খুলতে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানো হচ্ছে বিস্ফোরক, এক্সকাভেটর, হাইড্রোলিক কাটার, ড্রিল মেশিন। সুড়ঙ্গের ভেতরের কারিগরি নকশা বা টারবাইন কক্ষের নিখুঁত অবস্থান বের করতে ড্রোন, স্ক্যানারের পাশাপাশি সরাসরি সুড়ঙ্গে নেমে যাচ্ছেন অভিজ্ঞ উদ্ধারকারীরা। কোথাও কোথাও সুড়ঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছানোর জন্য স্থাপন করা হচ্ছে আলাদা পাইপলাইন।

নেপালি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মত্তে, চীন-তিব্বত সীমান্তের কাছে আপার ত্রিশুলি-১, আপার ত্রিশুলি-৩, ত্রিশুলি-৩বি এই তিন প্রকল্পের ভেতরেই আটকা পড়েছেন বেশিরভাগ শ্রমিক। এই নিখোঁজ উদ্ধারে নেপালি সেনা আর চীনা রেসকিউ টিমের ওপর সবটুকু আস্থা রাখতে হবে হতভাগ্য পরিবারগুলোকে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়