
নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আবার কোথাও কোথাও টাকা দিয়েও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। তবে মঠবাড়িয়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার ঘুরে ১ হাজার ৯৫০ থেকে ২ হাজার টাকা বা তার বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি কয়েকটি কোম্পানির গ্যাসের সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে কিছু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। বাজার তদারকির ঘাটতির সুযোগে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে সংসারের ব্যয় বাড়ছে। আবার চাহিদামতো সিলিন্ডার না পেয়ে অনেককে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।
মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গৃহিণী সালমা আক্তার বলেন, হঠাৎ এলপিজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ সামলাতে কষ্ট হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে তাকে ১২ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে।
ব্যবসায়ী রনি হোসেন বলেন, পাইকারি পর্যায়েই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ডিলাররা নির্ধারিত দামে গ্যাস সরবরাহ করলে তারাও কম দামে বিক্রি করতে পারতেন।
স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, গত দুই মাস ধরে তারা বসুন্ধরা গ্যাসের সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। অন্য একটি কোম্পানির সিলিন্ডারও স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২০০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এ কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে বলে তাদের দাবি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রাব্বি বলেন, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৮৩৭ টাকায় এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। বাজার নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার খবর পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
