
নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

রাউজানে টিলার মাটি কাটা নিয়ে বিরোধে মুহাম্মদ কাউসার উজ জামান বাবলু (৩৬) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
রাউজানে টিলার মাটি কাটা নিয়ে বিরোধে মুহাম্মদ কাউসার উজ জামান বাবলু (৩৬) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে পৌরসভার পূর্ব আইলি খীল খামার টিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত বাবলু রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে। তিনি বিএনপির একজন কর্মী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খামার টিলা এলাকায় বাবলু ও তার মামাত ভাই পলিন টিলা কেটে মাটি বিক্রি করে আসছিলেন। এর জের ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
তবে নিহতের বাবা আবুল কালাম সওদাগর বলেন, ‘ঘটনাস্থল হচ্ছে বাবলুর নানার বাড়ি। সেখানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিল বাবলু। ফেরার পথে পথরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়।’
রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘যে গ্রুপ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযানে নেমেছে। বাবলু মাছ ধরতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশকে তথ্য দিয়েছে নিহতের পরিবারের সদস্যরা।’
উল্লেখ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাউজানে গত ১৯ মাসে ২২টি খুনের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে বিএনপির ১৬ নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগের ৫ জন ও পারিবারিক কলহের জের ধরে একজন খুন হয়।রেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে পৌরসভার পূর্ব আইলি খীল খামার টিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত বাবলু রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে। তিনি বিএনপির একজন কর্মী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খামার টিলা এলাকায় বাবলু ও তার মামাত ভাই পলিন টিলা কেটে মাটি বিক্রি করে আসছিলেন। এর জের ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
তবে নিহতের বাবা আবুল কালাম সওদাগর বলেন, ‘ঘটনাস্থল হচ্ছে বাবলুর নানার বাড়ি। সেখানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিল বাবলু। ফেরার পথে পথরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়।’
রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘যে গ্রুপ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযানে নেমেছে। বাবলু মাছ ধরতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশকে তথ্য দিয়েছে নিহতের পরিবারের সদস্যরা।’
উল্লেখ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাউজানে গত ১৯ মাসে ২২টি খুনের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে বিএনপির ১৬ নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগের ৫ জন ও পারিবারিক কলহের জের ধরে একজন খুন হয়।
