
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

তিনি বলেন, জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে আমরা ধারণ করব। কিছু অধ্যাদেশ আছে যেখানে জুলাই যোদ্ধাদেরকে যেই নামে অভিহিত করা হয়েছে এবং গণঅভ্যত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে ও অংশগ্রহণ করেছে তাদের ইনডেমনিটি দেয়ার বিষয় আছে, সেগুলোকে আমরা গ্রহণ করব।
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেয়ার অধ্যাদেশ সরকারি দল গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ মঙ্গলবার সকালে সংসদে বিশেষ কমিটির বৈঠকে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিক এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে ফয়সালা করতেই সংসদের বিশেষ কমিটি বৈঠক আজ। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আলোচনাও হবে।’
তিনি বলেন, জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে আমরা ধারণ করব। কিছু অধ্যাদেশ আছে যেখানে জুলাই যোদ্ধাদেরকে যেই নামে অভিহিত করা হয়েছে এবং গণঅভ্যত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে ও অংশগ্রহণ করেছে তাদের ইনডেমনিটি দেয়ার বিষয় আছে, সেগুলোকে আমরা গ্রহণ করব। আরো কিছু বিষয়ে আছে। যেমন বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছিল তাদের নেতাদের নামে এবং বিভিন্ন নামে সেগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছে এগুলোকে আমরা গ্রহণ করব।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আরো অনেক অধ্যাদেশ রয়েছে। সেগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে কোনটা কিভাবে গ্রহণ করা যায়; কোনটা সংশোধনীসহ গ্রহণ করা যায় আবার কোনটাতে পরে আরো সংশোধনী আনতে হবে সেটা সেভাবেই ফয়সালা করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, সময় সংক্ষিপ্ত। এসব ৩০ দিনের মধ্যে ফয়সালা করার বাধ্যবাধকতা আছে। আমাদের প্রথম অধিবেশন গত ১২ তারিখ বসেছিল। পরবর্তী অর্ধবেশন আগামী ২৯ তারিখ। এর মধ্যে প্রায় ১৫ দিনের মত সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে। বাকি ১৫ দিনের মধ্যে যা করা যায় তার ব্যবস্থা করব।
বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এই বিশেষ কমিটির বৈঠক বসে। বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সবগুলো অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে আগামী ২ এপ্রিল মধ্যে এই কমিটিকে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করেন। পরে তার প্রস্তাবে অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
এই কমিটির সভাপতি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা জয়নুল আবেদীন। অন্য সদস্যরা হলেন মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, মো: নুরুল ইসলাম, মো: আসাদুজ্জামান, মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুর উদ্দিন, আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির ও ফারাজানা শারমীন। এছাড়াও রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মো: মজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান ও জিএম এম নজরুল ইসলাম।
মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকায় আজকের বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
সূত্র : বাসস
