শুক্রবার ৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সময় চিকিৎসককে হাতেনাতে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শাহজালালে বিমানবন্দরে প্রযুক্তিহীন তল্লাশি,যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ আজ থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত জুলাই জাদুঘর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তথ্যচিত্রে ত্রুটি, দুঃখ প্রকাশ মন্ত্রণালয়ের অহেতুক ইস্যু তৈরি করে স্বৈরাচারের পথ সুগম করছেন: প্রধানমন্ত্রী আমরা পথ হারিয়ে ফেললে জুলাই জাদুঘরে খুঁজে নেব:ড. ইউনূস জুলাই ডকুমেন্টারি ঘিরে রাষ্ট্রপতির সামনেই হট্টগোল বিপ্লবের দুই বছর পরও সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসেনি: নাহিদ ইসলাম শহীদের নামে হবে এলাকার সড়ক-প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি অপরাধের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী দুই হাত প্রসারিত করা সেই আবু সাঈদের কাছে হাসিনার পতন
Advertise with us

সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

সিলেটের আলোচিত চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি জয়নাল আবেদীন ও আবুল কালামকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) সিলেট মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও বিশেষ জজ আবু ওবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সিলেট মহানগর আদালতের পিপি মো. বদরুল আহমদ চৌধুরী বলেন, মাত্র তিন মাসের মধ্যে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করে আদালত রায় দিয়েছেন। জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলেও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা পশ্চিমপাড়ার ধন রায়ের চক এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে। তিনি নিহত শিশু ফাহিমার প্রতিবেশী এবং সম্পর্কে চাচা।

ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। চলতি বছরের ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু ফাহিমা। এর দুদিন পর ৮ মে ভোরে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, জাকির হোসেন প্রথমে শিশুটির মরদেহ ডোবায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। মরদেহ পানিতে না ডোবায় তিনি সেটি ডোবার পাশেই ফেলে রেখে যান। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

এরপর ১১ মে রাতে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগে জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি পুলিশের কাছে এবং পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ঘটনার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় তদন্ত শেষ করে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগপত্রে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়। অপরদিকে তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামের বিরুদ্ধে মরদেহ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হলেও বিচার চলাকালে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত খালাসের আদেশ দেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়