মঙ্গলবার ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিতে আগ্রহী পাকিস্তান আবারও প্রাণঘাতী বন্যা-ভূমিধসের কবলে ভারত ও নেপাল, মৃত্যু ৭৬ ‘সর্প হয়ে দংশন করো, ওঝা হয়ে ঝাড়’ রাড্ডা পরিদর্শনে আসিফ মাহমুদের মন্তব্য ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লক্ষ টাকার অনুদান জামায়াতের উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলনের বিরুপ প্রভাব পড়ছে চুয়েটে বিখ্যাত হয়ে যেন, ‘খ্যাতির বিড়ম্বনায় কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া’ সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব এসেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসির খাতা মূল্যায়ন করা শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ সমাজসেবা অধিদপ্তররে
Advertise with us

সড়কেই শেষ হলো মুফতি মমিনের পরিবারের জীবনের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৪৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সড়কেই শেষ হলো মুফতি মমিনের পরিবারের জীবনের গল্প

রাজধানীতে একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন মুফতি আব্দুল মমিন। ঈদের ছুটি শেষে স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরে কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু সেই যাত্রাই হয়ে গেল শেষ যাত্রা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রাণ হারান তিনি।

নিহতরা হলেন— নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলী মাস্টারের বাড়ির মৃত ইউনুস মুন্সীর ছেলে মুফতি আব্দুল মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭), মেয়ে লাবিবা (১৮) এবং প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন (৫২)। চালকের বাড়ি বরিশাল জেলায়।

দুর্ঘটনায় আব্দুল মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১২) গুরুতর আহত হয়ে কুমিল্লার ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহত মুফতি মমিনের চাচাতো ভাই ওহিদ উল্যাহ বলেন, পরিবার নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মমিন ছিলেন বড়। এর আগে তার আরও দুই ভাই মারা গেছেন। তিনি মোহাম্মদপুরে একটি মাদরাসা পরিচালনা করতেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইসমাইল বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকে স্তব্ধ পরিবার ও এলাকাবাসী। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন মমিন, কিন্তু আর কর্মস্থলে ফেরা হলো না। এক যাত্রায় যেন শেষ যাত্রা হয়ে গেল।

ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। একই পরিবারের এতগুলো প্রাণ একসঙ্গে ঝরে যাওয়া আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। পুরো ইউনিয়নজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমরা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহত শিশুটির দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক নিহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
১২৩৪৫৭
৮৯১০১১১১৩৪
১৫১৬১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২
৯৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়