বুধবার ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
রাজধানীর যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরলেই জেলে যেতে হবে: শামা ওবায়েদ সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু,গুরুত্বর অবস্তায় হয়ে হাসপাতালে স্বামী ও দুই সন্তান পাঁচ মাসে রেকর্ড ২.০৪৭ বিলিয়ন বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে সরকার বাঁধনের প্রসঙ্গে ফারুকী, সরকারের ভেতরে বসে কারা ফ‍্যাসিবাদের সফট পাওয়ারকে স্পেস দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য অস্বস্তিকর,ভারত সরকারের এ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত: তথ্য উপদেষ্টা নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পা দিয়ে ময়দা মাখিয়ে তৈরি হচ্ছে চানাচুর শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ৭ সহযোগীকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে
Advertise with us

ব্যাংক ও জ্বালানি খাতের শেয়ার নিম্নমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৫৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ব্যাংক ও জ্বালানি খাতের শেয়ার নিম্নমুখী

মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে কয়েক সপ্তাহ ধরেই দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধবিরতির পর কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও সেটি টেকসই হবে কি না, এমন শঙ্কায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে সূচক প্রায় অপরিবর্তিত ছিল। এ সময়ে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎসহ বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে। সূচকে স্থবিরতা দেখা গেলেও গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারের গড় লেনদেন বেড়েছে ২২ শতাংশ। তবে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৫৭ দাঁড়িয়েছে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৯০ দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ২ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গত সপ্তাহে ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৬ দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৬৩ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে মোট ৩৯০টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৩টির, কমেছে ১৪২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির। আর লেনদেন হয়নি ২২টির। গত সপ্তাহে সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ইসলামী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংক ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ৮১৩ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬৭০ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ২২ দশমিক ২ শতাংশ।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজারের অবস্থান ইতিবাচক ছিল। বিশেষ করে ডিসেম্বর ক্লোজিং শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এবং ভালো আয়ের প্রত্যাশার কারণে শেয়ারের দাম বেড়েছিল। তবে এ ইতিবাচক প্রবণতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি না হওয়ায় বাজারে পুনরায় ব্যাপক বিক্রয় চাপ শুরু হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির উন্নতির আশায় মাঝেমধ্যে কম দামে শেয়ার কেনার প্রবণতা দেখা গেলেও পুনরুদ্ধারের এ প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বড় মূলধনি শেয়ারের ক্ষেত্রে ক্রমাগত সতর্ক বিক্রয় চাপের কারণে এবং সদ্যসমাপ্ত প্রান্তিকের করপোরেট আয়ের ঘোষণার অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা পর্যবেক্ষণমূলক অবস্থানে থাকায় বাজার শেষ পর্যন্ত প্রায় স্থিতিশীল ছিল।

খাতভিত্তিক লেনদেনে গত সপ্তাহে প্রকৌশল খাতের শেয়ারের আধিপত্য ছিল। লেনদেন চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৭ দশমিক ২ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে প্রকৌশল খাত। ১১ দশমিক ৬ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। তৃতীয় অবস্থানে থাকা সাধারণ বিমা খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। বস্ত্র খাত ৯ দশমিক ১ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে ছিল। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৯ শতাংশ।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে সিরামিক খাতে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিমা খাতে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। গত সপ্তাহে ব্যাংক খাতে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এ ছাড়া এ সময়ে পাট খাতে ১ দশমিক ২ শতাংশ, সেবা ও আবাসন এবং খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ১ দশমিক ১ শতাংশ হারে নেতিবাচক রিটার্ন ছিল। তা ছাড়া এ সময়ে টেলিযোগাযোগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কাগজ ও মুদ্রণ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং জীবন বিমা খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে।

দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৪ হাজার ৭৭৪ পয়েন্ট। সিএসসিএক্স সূচকটি সপ্তাহের ব্যবধানে ১ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৯ হাজার ৩৯ পয়েন্ট।

সিএসইতে গত সপ্তাহে ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ২৪৩ কোটি টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৭টির, কমেছে ১২১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২৭টির বাজারদর।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়